২০২৪ সালের মার্চে বাংলাদেশের প্রথম আম্পায়ার হিসেবে আইসিসির এলিট প্যানেলে জায়গা পেয়েছিলেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। টানা দুই বছর ধারাবাহিক ভালো আম্পায়ারিংয়ের পুরস্কার হিসেবে তাঁর মেয়াদ আরও এক বছর বেড়েছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিরপুরের ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক আম্পায়ারিংয়ে অভিষেক হয় সৈকতের।
বার্ষিক পর্যালোচনা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে ২০২৬-২০২৭ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মৌসুমের জন্য এমিরেটস আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিদের তালিকা অপরিবর্তিত থাকছে। আইসিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তা নিশ্চিত করেছে।
আইসিসির আম্পায়ার নির্বাচন প্যানেলের বিস্তর মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে বর্তমান এলিট আম্পায়ারদের দল তাদের দায়িত্বে বহাল থাকবে। গত এক বছরে তাঁদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হয়ে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মাঠে আম্পায়ারদের অসাধারণ পারফরম্যান্স, পেশাদারি, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তৃতীয় আম্পায়ার হিসেবে দক্ষতা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মান ও সততা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
আইসিসির ক্রিকেট বিষয়ক মহাব্যবস্থাপক ওয়াসিম খান (চেয়ারম্যান), সাবেক ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ রেফারি মাইক রাইলি, সাবেক আন্তর্জাতিক আম্পায়ার ও আম্পায়ার কোচ পিটার ম্যানুয়েল এবং সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারকে নিয়ে গঠিত আম্পায়ার নির্বাচন প্যানেল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বিভিন্ন স্তরের আম্পায়ার ও রেফারিদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করে বিদ্যমান প্যানেল বহাল রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
ম্যাচ রেফারি (২০২৬-২৭)
জেফ ক্রো (নিউজিল্যান্ড), রঞ্জন মাদুগালে (শ্রীলঙ্কা), অ্যান্ড্রু পাইক্রফট (জিম্বাবুয়ে), রিচি রিচার্ডসন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), জাভাগাল শ্রীনাথ (ভারত)
আম্পায়ার্স (২০২৬-২৭)
কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা), ক্রিস্টোফার গ্যাফানি (নিউজিল্যান্ড), অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টক (দক্ষিণ আফ্রিকা), রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ (ইংল্যান্ড), রিচার্ড কেটলবরো (ইংল্যান্ড), নীতিন মেনন (ভারত), আল্লাহউদ্দিন পালেকার (দক্ষিণ আফ্রিকা), আহসান রাজা (পাকিস্তান), পল রাইফেল (অস্ট্রেলিয়া), শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ (বাংলাদেশ), রডনি টাকার (অস্ট্রেলিয়া), অ্যালেক্স হোয়ার্ফ (ইংল্যান্ড)