জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে। অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। ক্লাব ক্রিকেট মাঠে ফেরানোর লক্ষ্যে কদিন আগে বুলবুলের বোর্ডের সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছেন তামিম। তবে আজ বুলবুলেরই মস্তিষ্কপ্রসূত একটি কর্মসূচির ‘ফিনিশিং’ দিয়েছেন তামিম।
কোচদের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে তিন মাস আগে লেভেল-৩ কোর্সের আয়োজন করেছিল বুলবুলের নেতৃত্বাধীন তখনকার ক্রিকেট বোর্ড। লেভেলে-৩ কোর্স হচ্ছে কোচদের এলিট লেভেলের একটি কোর্স। কোর্সের শুরু থেকে পরের প্রতিটি ধাপেই সাবেক সভাপতি দারুণ সক্রিয় ছিলেন। আগের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে যাওয়ার আগের বোর্ড সভায় এই কোচিং কোর্সের সনদ অনুমোদন থেকে স্বাক্ষর সবই করে গেছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। কিন্তু তাঁর সুযোগ হয়নি লেভেল-৩ কোচিং কোর্স করা কোচদের হাতে সনদ তুলে দেওয়ার। সুযোগটা পেয়েছেন বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল। তামিম স্বাক্ষরিত সনদে অবশ্য ‘সেপ্টেম্বর ২০২৫’ উল্লেখ আছে, যে সময় বুলবুল নিজেই উপস্থিত ছিলেন। তিনি মূল সেশন পরিচালনা করেছিলেন। এই কর্মসূচির নকশা, পরিকল্পনা ও পরিচালনা তাঁর—বাংলাদেশে থাকতেই একাধিকবার জানিয়েছেন বুলবুল।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম, গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ফাহিম সিনহা, গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বাবু এবং বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী। কোর্সে অংশ নেওয়া কোচদের সবাই সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কোচ শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত নিবিড় আবাসিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ৯০ দিনের মাঠপর্যায়ের একটি অ্যাসাইনমেন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল। অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক টার্নার-ক্যাম্পবেল কনসালট্যান্টস কোর্সটি পরিচালনায় সহযোগিতা করেন। টার্নার-ক্যাম্পবেলরা ঢাকায় এসেছিলেন গত বছরের সেপ্টেম্বরে।
এই কোর্স যদি বাংলাদেশের কোচদের দেশের বাইরে করতে হতো, সেক্ষেত্রে খরচ হতো প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা। যেটা সম্ভব হয়েছে ৪০ লাখ টাকায়।