পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) গতবার পেশোয়ার জালমি নিলেও নাহিদ রানার টুর্নামেন্ট কেটেছে বেঞ্চে বসে। এবারও তাঁকে নিয়েছে পেশোয়ার। তবে পিএসএল অভিষেকটা মনে রাখার মতো হয়নি। এক বিব্রতকর রেকর্ডে নাম লেখালেন বাংলাদেশের এই গতিতারকা।
করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামে গতকাল পেশোয়ার জালমি খেলেছে নবাগত হায়দরাবাদ কিংসের বিপক্ষে। টুর্নামেন্টে পেশোয়ারের তৃতীয় ম্যাচে অভিষেক হয় রানার। টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া হায়দরাবাদ ২০ ওভারে ১৪৫ রানে গুটিয়ে গেলেও রানা ৩ ওভারে খরচ করেন ৩০ রান। কোনো উইকেট পাননি। পিএসএল অভিষেকে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে বোলিং এখন রানার। এই তালিকায় যৌথভাবে দুইয়ে শরীফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন। পাকিস্তানের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে দুজনেরই নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইকোনমি ছিল ৭.৭৫।
টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া হায়দরাবাদ ৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৪ রানে পরিণত হয়। এই চারটি উইকেটই নিয়েছেন পেশোয়ারের স্পিনার ইফতিখার আহমেদ। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে (ষষ্ঠ ওভার) রানার ওভার থেকে হায়দরাবাদ নেয় ১৭ রান। তবে ৪ রান লেগবাই হওয়ায় সেটা তাঁর অ্যাকাউন্টে যোগ হয়নি। বাংলাদেশের গতিতারকাকে এরপর ইনিংসের দশম ও ১৮তম ওভারে বোলিং করানো হয়েছে। নিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওভারে রানা খরচ করেন ৯ ও ৮ রান। যার মধ্যে ১৮তম ওভারে হায়দরাবাদ উইকেট হারালেও সেটা ছিল রানআউট।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা হায়দরাবাদ গুটিয়ে যায় ১৮.২ ওভারে ১৪৫ রানে। ইনিংসের চূড়ান্ত ওভারটি হয়তো রানার জন্য বরাদ্দ রেখেছিলেন পেশোয়ার অধিনায়ক বাবর আজম। তবে ১০ বল আগে হায়দরাবাদ অলআউট হওয়ায় সেটার আর প্রয়োজন পড়েনি। যে ১৮ বল রানা বোলিং করেছেন, সেখানে ৩ চার ও ১ ছক্কা হজম করেছেন তিনি। এই ম্যাচে রানার সতীর্থ শরীফুল আরও খরুচে বোলিং করেছেন। ২ ওভারে ২১ রান খরচ করে শরীফুল ছিলেন উইকেটশূন্য।
শরীফুল এবার প্রথমবারের মতো পিএসএল খেললেও গতকাল তাঁর অভিষেক ম্যাচ ছিল না। রাওয়ালপিন্ডিজের বিপক্ষে ২৮ মার্চ ৪ ওভারে ৩১ রান খরচ করেও ছিলেন উইকেটশূন্য। সমান ৭.৭৫ ইকোনমিতে গত বছর পিএসএল অভিষেকে বোলিং করেছিলেন রিশাদ। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে সেই ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন। প্রতিপক্ষ ছিল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। এবার রিশাদ নবাগত রাওয়ালপিন্ডির হয়ে চার ম্যাচে ১১.০৭ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২ উইকেট। দলও চার ম্যাচের চারটিতে হেরেছে। একই অবস্থা আরেক নবাগত হায়দরাবাদেরও। তবে নেট রানরেটের কারণে সাত ও আট নম্বরে হায়দরাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডি।