টানা এক মাসের মাঠের লড়াইয়ের পর গতকাল শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম সংস্করণ। একপেশে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ভারত। চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রাইজমানি পেয়েছে সূর্যকুমার যাদবের দল। রানার্সআপ নিউজিল্যান্ড এবং অংশগ্রহণকারী বাকি দলগুলোর অ্যাকাউন্টেও কমবেশি অর্থ জমা হয়েছে।
সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার প্রাইজমানি রেখেছিল আইসিসি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৬৪ কোটি টাকার ওপরে। যা আগের আসরের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি। চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারত পেয়েছে ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বা সাড়ে ৩৬ কোটি টাকা।
ফাইনালে ভারতের কোনো পরীক্ষা নিতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। আয়োজকেদের করা ২৫৫ রানের জবাবে ব্ল্যাক ক্যাপরা অলআউট হয়েছে ১৫৯ রানে। রানার্সআপ হয়ে ১৬ লাখ ডলার পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। টাকার অঙ্কে হিসেব করলে যা দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা। ভারতের কাছে হেরে শেষ চারে পথচলা থেমেছে ইংল্যান্ডের। তার আগে প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ চার থেকে বিদায় নেওয়া দুই দল পেয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় সাড়ে ৯ কোটি টাকার বেশি।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে। অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সুপার এইটে পা রাখে সিকান্দার রাজার দল। শেষ আট থেকে জিম্বাবুয়ে ছাড়াও বিদায় নেয় শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই চার দল পেয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা করে (সাড়ে চার কোটি টাকার বেশি)। ২০ দলের টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় ১২ দল। অংশগ্রহণ বাবদ এই ১২ দলকে দেওয়া হয়েছে আড়াই লাখ ডলার বা ৩ কোটি টাকার বেশি।