লিকলিকে শরীর। কিন্তু কী অবলীলায় বলকে সীমানা ছাড়া করেন তাওহীদ হৃদয়। গত কয়েক সিরিজ ধরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে তাঁর ইনিংস। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে তাঁর মাঝে একজন পাওয়ার হিটারের ছায়া খুঁজে পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু হৃদয় নিজেও জানেন না তাঁর পাওয়ার হিটিংয়ের রহস্য।
আফগানিস্তান সিরিজ শেষ করে এই মুহূর্তে ছুটিতে গেছেন জাতীয় দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটার। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম থেকে বাড়িতে ছুটি কাটাতে যাচ্ছেন হৃদয়ও। যাওয়ার আগে আফগানিস্তান সিরিজ নিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন। সেখানে নিজের বড় শটের রহস্য নিয়ে হৃদয় বলেছেন, ‘আমি নিজেও জানি না (বড় শটের পাওয়ার) কোথায় থেকে আসে।’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলার এখনো এক বছর হয়নি হৃদয়ের। এর মধ্যে দলের ব্যাটিং লাইনআপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সাদা দলের দুই সংস্করণে মিডলঅর্ডারে এখন তাঁর ব্যাটের তাকিয়ে থাকে দল। ব্যাটার হিসেবে দলে অবদান রাখতে পারাই দায়িত্ব জানিয়ে হৃদয় বলেছেন, 'ব্যাটার হিসেবে আমার দায়িত্ব হলো, দলের জন্য অবদান রাখা। আর নিজের অবদানে যদি দল জেতে, তাহলে আমার মনে হয় সব ক্রিকেটারেরই অনেক ভালো লাগে। বিশেষ করে যখন ম্যাচ জিতিয়ে আসবেন, ম্যাচ সেরা হবেন-তখন একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে।'
কোরবানির ঈদের সময় সাকিব আল হাসানের সঙ্গে একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন হৃদয়। সেখানে সাকিবের কাছ ঈদের সালামি নেওয়ার কথা জানান তিনি। সালামি দারুণ ব্যাটিংয়ের জন্য কি না এক প্রশ্নে হৃদয় বলেছেন, ‘সালামির সঙ্গে তো ব্যাটিংয়ের কিছু নেই। সালামি শুধু আমাকে একা দেয়নি। ওখানে আমি ছিলাম, শান্ত ভাই, ইবাদত ভাই, হাসান ছিল—সবাইকে দিয়েছেন। শুধু আমারটাই দেখছেন (হাসি)। ঈদের পর দেখা হয়েছে, আমরা দুষ্টুমি করে বলছিলাম, ভাই সালামিটা দেন। তো উনি সালামি দিয়েছেন।’