হোম > খেলা > ক্রিকেট

উত্তাপহীন বিপিএলের শিরোপা জিতবে কারা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইনালে রাজশাহীর প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম। ছবি: বিসিবি

ট্রফি নিয়ে নেই কোনো ফটোসেশন। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেও দেখে বোঝার উপায় নেই আজ বিপিএলের ফাইনাল। বিগত আসরগুলোর চেয়ে এবার একটু অন্য রকম লাগছে। ফাইনাল নিয়ে যত আলোচনা, উন্মাদনা সবকিছুই ঢাকা পড়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে।

গত কয়েক দিনে মাঠের ক্রিকেটের চেয়ে মাঠের বাইরের ঘটনাটাই আলোচনায় এসেছে বেশি। বিপিএলও এর বাইরে ছিল। তবে মাঝখানে আলোচিত ইস্যু হয়ে বিপিএল আবারও ফিরেছে মাঠে। আজ সন্ধ্যা ৬টায় উত্তাপহীন শিরোপার লড়াইয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম রয়্যালস।

কাগজে-কলমে ফেবারিট হিসেবে বিপিএলে যাত্রা করে রাজশাহী। রাউন্ড রবিন লিগ শেষে শীর্ষেও থাকে তাঁরা। তবে প্রথম কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে হোঁচট খায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট টাইটানসকে ১২ রানে হারিয়ে ঠিকই খুলে ফেলে ফাইনালের দরজা।

চট্টগ্রামের শুরুটা ছিল টালমাটাল। মালিকানাহীন হয়ে পড়া ফ্র্যাঞ্চাইজিটি পড়ে বিসিবির দল হয়ে ওঠে। একে একে সবাইকে পেছনে ফেলে জায়গা করে নেয় ফাইনালেও। অধিনায়ক শেখ মেহেদী বলেন, ‘আমাদের যে টিম ম্যানেজমেন্ট ছিল...সবাই মিলে ভালো একটা রোল প্লে করছে। তখন যেভাবেই হোক তাৎক্ষণিক তারা ম্যানেজ করছে।’

প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহীকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম। রাউন্ড রবিন লিগে দুবারের দেখায়ও একবার জিতেছে তারা। মেহেদী বলেন, ‘ফাইনালে যেহেতু উঠেছি, শিরোপার স্বপ্ন সবাই দেখবে। তবে কালকের (আজ) দিনটা যাদের ওপর থাকবে তারাই ভালো ক্রিকেট খেলবে। প্রথমত বিপিএলে অন্যতম সেরা ও ভারসাম্যপূর্ণ এক দল রাজশাহী। তাদের সম্পর্কে আমাদের ভালো পড়াশোনা করা হয়েছে।’

রাজশাহী-চট্টগ্রাম লড়াইয়ের তিনটি ম্যাচই হয়েছে লো স্কোরিং। তবে ফাইনালে রানের প্রত্যাশা করছেন রাজশাহীর কোচ হান্নান সরকার। তিনি বলেন, ‘ফাইনালের জন্য আমরা ঘাসহীন একটি ফ্রেশ উইকেটের প্রত্যাশা করছি, যা একটি স্পোর্টিং উইকেট হবে এবং যেখানে ১৮০-২০০ রান হতে পারে।’

টস ফাইনালে ভাগ্য নির্ধারণ করবে না বলে মত হান্নানের, ‘টস এখানে মুখ্য না। কারণ টসে হেরেও যে ম্যাচ জেতা যায়, সেটা আমরা গতকাল (পরশু) প্রমাণ করেছি। আমার মনে হয়, ভালো খেলার পাশাপাশি সঙ্গে কিছু ছোট ছোট জায়গায় যদি ভাগ্য পাশে থাকে তাহলে রেজাল্ট পরে আসে।’

বিপিএল এবার অনেকটা বিদেশি তারকাহীন ছিল। সেখানে এসে রং ছড়ালেন কিউই ব্যাটার কেইন উইলিয়ামসন। তাঁকে পেয়ে আস্থা বেড়েছে হান্নানের, ‘কেইন একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড়। মিরপুরের উইকেটে যেখানে খেলা কিছুটা কঠিন হয় এবং ১৫০-১৬০ রানের আশপাশে থাকে, সেখানে তার মতো খেলোয়াড় খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেইন আসায় আমাদের ব্যাটিং অর্ডারে ভারসাম্য এসেছে।’

টস নিয়ে হান্নানের কথায় অবশ্য দ্বিমত পোষণ করেন শেখ মেহেদী। চট্টগ্রাম অধিনায়ক বলেন, ‘রাতের ম্যাচে টস অনেক গুরুত্বপূর্ণ থাকে। আপনি টস যদি জেতেন সে ক্ষেত্রে হয়তোবা ১০% মানসিকভাবে এগিয়ে যান।’

টসভাগ্য শিরোপা নির্ধারক হয়ে উঠবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

৪ বছর পর আইসিসির টুর্নামেন্ট খেলতে আসা জিম্বাবুয়ে কীভাবে বদলে গেল

পাকিস্তানের প্ররোচনায় বিশ্বকাপে খেলেনি বাংলাদেশ, বলছেন সৈয়দ আশরাফ

অস্ট্রেলিয়াকে ঘায়েল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখছে ওমান

শেষ ম্যাচে ২০০ করে জিতেছে আফগানরা

‘সবাই আন্ডারডগের গল্পই ভালোবাসে’

বিশ্বকাপে ভরাডুবিতে অজি ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের ময়নাতদন্তের ঘোষণা

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ১৬ বছরের অপেক্ষা ফুরাল জিম্বাবুয়ের

১৬ বছরে যা পারেনি, জিম্বাবুয়ে আজ কি সেটা করতে পারবে

৮ লাখ টাকা বেতন পাচ্ছেন চার ক্রিকেটার, তাসকিনের অবনতি

বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর অলিম্পিক নিয়ে দুশ্চিন্তায় অস্ট্রেলিয়া