জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচের দিকে কৌতূহলী নজর থাকবে অস্ট্রেলিয়ার। ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচটির ফলাফলের ওর নির্ভর করছে তাদের ভাগ্য। জিম্বাবুয়ে জিতলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেবে অজিরা। এমতাবস্থায় সৃষ্টিকর্তার দিকে তাকিয়ে আছেন দলটির অধিনায়ক মিচেল মার্শ। জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচের দিকে কৌতূহলী
নজর থাকবে অস্ট্রেলিয়ার। ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচটির ফলাফলের ওর নির্ভর করছে তাদের ভাগ্য। জিম্বাবুয়ে জিতলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেবে অজিরা। এমতাবস্থায় সৃষ্টিকর্তার দিকে তাকিয়ে আছেন দলটির অধিনায়ক মিচেল মার্শ।
২ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের তিনে অবস্থান করছে অস্ট্রেলিয়া। ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়নদের সুপার এইটের ওঠা নির্ভর করছে অনেক যদি কিন্তুর ওপর। শেষ দুই ম্যাচে (আয়ারল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) হারতে হবে জিম্বাবুয়েকে। পাশাপাশি গ্রুপ পর্বে নিজেদের ম্যাচ শেষে ওমানের বিপক্ষে জিততে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। এরপরও শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত হবে না। জিম্বাবুয়ে-অস্ট্রেলিয়ার সমান ৪ পয়েন্ট হলে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকা দলই সুপার এইটে জায়গা করে নেবে।
তৃতীয় ম্যাচে গতকাল শ্রীলঙ্কার কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। এই হারে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের শঙ্কা বেড়েছে তাদের। নিজেদের এমন পরিস্থিতির জন্য বেশ হতাশ দলটির ক্রিকেটাররা। মার্শ বলেন, ‘সবাই ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছে। আমরা একেবারে বিধ্বস্ত অবস্থায় আছি এবং এখন আমাদের ভাগ্য পুরোপুরি সৃষ্টিকর্তার হাতে। ড্রেসিংরুমে এই মুহূর্তে আবেগের জোয়ার বইছে। আমরা নিজেদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারিনি।’ ম্যাচটা (জিম্বাবুয়ে বনাম আয়ারল্যান্ড) আমরা সবাই দেখব। সবাই একসঙ্গে বসে দেখব কিনা, সেটা এখনো ঠিক হয়নি। দেখা যাক কী হয়। কী বলেন, আইরিশদের ভাগ্যই কি আমাদের ভরসা?’
পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রীলঙ্কার কাছে হারতে হয়েছে বলে মনে করেন মার্শ, ‘আমাদের মূল সমস্যা ছিল বাস্তবায়নে ঘাটতি। পূর্ণ শক্তির এই ব্যাটিং লাইনআপে অস্ট্রেলিয়ার সেরা স্পিন-খেলুড়ে ব্যাটাররা আছে। আমার মনে হয়েছে, শ্রীলঙ্কা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছে, আর আমরা শুরুটা ভালো পাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত রান কম করে ফেলেছি। দ্বিতীয় ইনিংসে নামার আগে ওই রানগুলো আমাদের খুব দরকার ছিল। আমার বিশ্বাস ছিল আমরা কাজটা শেষ করতে পারব, কিন্তু বাস্তবে আমরা প্রতিপক্ষের কাছে পরাজিত হয়েছি।’
উড়ন্ত শুরুর পরও অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থেমেছে ১৮১ রানে। এ জন্য ব্যাটারদের দায়ী করছেন মার্শ। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ২২০ রান করতে পারতাম, তাহলে কী হতো—সেটা হয়তো কখনোই বোঝা যাবে না। তবে আগেই বলেছি, আমাদের একটা ভালো ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, কিন্তু শেষ দিকে আমরা তা কাজে লাগাতে পারিনি। এই কন্ডিশনে জুটিগুলো যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা আমি জানি। উদ্বোধনী জুটির বাইরে আর কোনো বড় জুটি আমরা গড়তে পারিনি, যা ইনিংসকে আবার এগিয়ে নিতে পারত।’
হতাশা প্রকাশ করে মার্শ আরও বলেন, ‘গত দুই বছরে সাদা বলের দলগুলোর দিকে তাকালে দেখবেন, প্রায় প্রতি সফর আর প্রতি ম্যাচেই পরিবর্তন এসেছে। অনেক সময় পরিস্থিতির কারণে আপনাকে সেটা করতেই হয়। আজ (গতকাল) রাতে আমরা কেবল প্রতিপক্ষের কাছে হেরে গেছি—এটাই সবচেয়ে হতাশার বিষয়।’