বাবা কিংবদন্তি ক্রিকেটার। ছেলে নিজেও ক্রিকেট খেলেন। কিন্তু বাবা এতই বড় ক্রিকেটার ছিলেন যে—তাঁর ছায়া থেকে বেরিয়ে আসা হয়নি অর্জুন টেন্ডুলকারের। এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে ফেলার কথা, বলা হচ্ছে শচীন টেন্ডুলকার তনয় অর্জুনের কথা।
বাবার মতো বড় ক্রিকেটার না হতে পারলেও বয়স তো আর থেমে নেই তাঁর। পঁচিশ থেকে আগামী মাসে ছব্বিশে পা রাখবেন অর্জুন। গতকাল বাগদানও হয়ে গেল তাঁর। গতকাল পারিবারিক এক অনুষ্ঠানে মুম্বাইয়ের ব্যবসায়ী রবি ইকবাল ঘাইয়ের নাতি সানিয়া চন্দকের সঙ্গে বাগ্দান হয়ে গেল অর্জুনের। দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবের উপস্থিতিতে আংটি বদল করেছেন আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে খেলা অর্জুন।
টেন্ডুলকারের ছেলের সঙ্গে বাগদানের আগে কখনও সানিয়া চন্দক কখনো খবরের শিরোনামে আসেননি। তাই তাঁর সম্পর্কে খুব বেশি তথ্যও নেই। তবে জানা গেছে, মুম্বাইয়ের ক্যাথেড্রাল অ্যান্ড জন কোনন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন সানিয়া। লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে ২০২০ সালে স্নাতক শেষ করেন।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ভেটেরিনারি সার্ভিস (ডব্লিউভিএস) থেকে গত বছর ভেটেরিনারি টেকনিশিয়ানের সার্টিফিকেট নিয়েছেন সানিয়া চন্দক। যা তাঁর পশু-প্রেমেরই পরিচায়ক। ভারতীয় পত্রপত্রিকার খবর, পশু চিকিৎসায় ডিগ্রী নেওয়ার পর সানিয়া চান্দোকের নিজের একটি পোষা প্রাণীর স্কিন কেয়ার ও স্পা সেন্টার রয়েছে। অর্জুনের সঙ্গে আগে থেকেই সানিয়ার জানা শোনা বলে খবর প্রকাশ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।