বাংলাদেশের ‘বিপদের বন্ধু’ হিসেবে জিম্বাবুয়ের ভালোই পরিচিতি রয়েছে। যখন বাজে ফর্মের ভেতর দিয়ে যায়, তখনই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ফেলে ফর্মে ফেরে বাংলাদেশ। বর্তমান পাকিস্তান দল যেন বাংলাদেশের কাছে জিম্বাবুয়ের মতোই। পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় একরকম অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। সিলেটে আজ ঐতিহাসিক জয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন।
২০২৪ সালে পাকিস্তানকে তাদের মাঠে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাইয়ের পর বাংলাদেশ পুনরাবৃত্তি করল ঘরের মাঠেও। আজ সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। টেস্টে ২৬ বছরের ইতিহাসে জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চার ম্যাচ জয়ের কীর্তি রয়েছে বাংলাদেশের। সিলেটে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ ৮ টেস্ট জয়ের কীর্তি গড়লেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এত দিন এই তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। মুশফিকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জিতেছে ৭ টেস্ট।
শান্তর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৮ টেস্ট খেলে জিতেছে ৮ ম্যাচ। সফলতার হার ৪৪.৪৪ শতাংশ। মুশফিকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ খেলেছিল ৩৪ টেস্ট। সফলতার হার ২০.৫৯ শতাংশ। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক হিসেবে টেস্টে শতভাগ সফল হওয়ার রেকর্ড কেবল লিটন দাস ও মাশরাফি বিন মর্তুজার। তাঁরা দুজন অবশ্য অধিনায়ক ছিলেন এক টেস্ট।
পাকিস্তানকে টানা চার টেস্টে হারানোর আগেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই কীর্তি গড়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। ২০১৩-২০১৪ সালে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে জিম্বাবুয়েকে টানা চার টেস্টে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। যার মধ্যে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে ধবলধোলাই হয়েছিল জিম্বাবুয়ে।
২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে ১৫৮ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। জিতেছে ২৭ ম্যাচ, হেরেছে ১১২ ম্যাচ ও ড্র করেছে ১৯ ম্যাচ। দুই বা ততোধিক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হিসেব করলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তানকে দুইবার করে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ।