ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে বেশ সফল ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা। উইকেট থেকে যথার্থ টার্ন আদায় করেই স্বাগতিক ব্যাটারদের চেপে ধরতে পেরেছে জোমেল ওয়ারিকান, জশুয়া বিশপরা।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ২৭২ রানে। এর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররাই নিয়েছেন ৭ উইকেট। ওয়ারিকান ৫ ও বিশপের ঝুলিতে গেছে ২ উইকেট।
উইকেট থেকে স্পিনাররা তুলনামূলক বেশি সহায়তা পাবে, এই ভাবনায় একাদশে ৩ স্পিনার নিয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথম ২৭ ওভারের খেলা শেষে কোনো উইবেট পাননি স্পিনাররা। দলীয় ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৫ রান করা ব্র্যান্ডন কিংকে ফেরান হাসান মাহমুদ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা ৩.৫ ডিগ্রি টার্ন আদায় করতে পেরেছে। এই বাড়তি টার্নই উইকেট পেতে সহায়তা করেছে তাদের। সেখানে মেহেদ হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলামরা টার্ন পেয়েছে ৩ ডিগ্রি।
ওয়ারিকানের বেশি সফলতার আরেকটি কারণ ভিন্ন গ্রিপে বোলিং করা। সচরাচর যে গ্রিপে বোলিং করেন, সেখান থেকে বের হয়ে গ্রিপে পরিবর্তন এনেছেন। যেটা তাঁর বোলিংয়ে বৈচিত্র এনেছে। তাতে বাংলাদেশের ব্যাটারদের জন্য কাজটা কঠিন হয়েছে।
দুই দলের স্পিনারদের পার্থক্য যখন এমন, তখন মিরপুরের আকাশে চলছে মেঘের খেলা। মেঘ জমায় গতকালের মতো আজও দ্বিতীয় সেশন শেষ হতেই ফ্লাডলাইট জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আলোক স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট আগেই চা বিরতিতে যায় দুই দল।
আলোক স্বল্পতার পর শুরু হয় বৃষ্টির বাগড়া। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় উইকেট ঢেকে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় সেশন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৮৯ রান। বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ১৮৩ রানে পিছিয়ে সফরকারী দল। জন ক্যাম্পবেল ৫৩ ও তেজনারায়ণ চন্দরপল ২১ রান নিয়ে শেষ সেশনে ব্যাট করতে নামবেন।