পাওয়ার প্লের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শুরুতেই প্রতিপক্ষকে ছন্নছাড়া করে দিতে ওস্তাদ অভিষেক শর্মা। তিনি যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখন বোলারদের রীতিমতো হাঁটু কাঁপার মতো অবস্থা। তবে ২০২৬ সালে অভিষেকের ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা নেই বললেই চলে। রানের খাতা খোলার আগে আউট হওয়া এখন পরিচিত দৃশ্য।
হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে আজ বিকেলের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ-লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া হায়দরাবাদ ১ রানেই হারায় প্রথম উইকেট। প্রথম ওভারের শেষ বলে লক্ষ্ণৌ পেসার মোহাম্মদ শামির অফসাইডের বাইরের বলে কাট করতে যান হায়দরাবাদের ওপেনার অভিষেক। শর্ট থার্ড ম্যানে দাঁড়িয়ে থাকা মনিমরন সিদ্ধার্থ ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরেন। দুই বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি অভিষেক। তাতেই বিব্রতকর রেকর্ডে রোহিত শর্মা-সঞ্জু স্যামসনের পাশে বসে গেলেন অভিষেক।
টি-টোয়েন্টিতে ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ৬ বার ডাক মেরেছেন অভিষেক। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে এক বছরে শূন্য রানে আউট হওয়ার বাজে রেকর্ডে যৌথভাবে শীর্ষে এখন অভিষেক, রোহিত শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। রোহিত ২০১৮ সালে ছয়বার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। আট বছর আগে তিনি ভারত জাতীয় দলের পাশাপাশি আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের জার্সিতে খেলে এই বাজে রেকর্ডে নাম লিখিয়েছিলেন।
স্যামসনের টি-টোয়েন্টিতে এক বছরে ছয়বার শূন্য রানে আউট হওয়ার বিব্রতকর রেকর্ডটি ছিল ২০২৪ সালে। সেবার তিনি খেলেছিলেন তিন দলের হয়ে। এদিকে ২০২৬ আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে শুধু আজই ডাক মেরেছেন। তিন ইনিংস মিলিয়ে করেছেন ৫৫ রান। যার মধ্যে বৃহস্পতিবার ইডেন গার্ডেনসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ২১ বলে করেন ৪৮ রান। তাঁর এ বছরে ছয় ডাকের মধ্যে তিনটিই আসে মার্চে শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।
অভিষেকের বাজে রেকর্ডের দিনে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ লড়াই করেও হেরে গেছে। ১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে এক বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জিতেছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। হায়দরাবাদ যে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৬ রান করেছে, তাতে অবদান মূলত দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার নীতিশ কুমার রেড্ডি ও হাইনরিখ ক্লাসেনের। ৬২ ও ৫৬ রান করেন ক্লাসেন ও রেড্ডি। দুজনেরই স্ট্রাইকরেট ছিল ১৫০-এর বেশি।