সৌদ শাকিলের ৫৩তম ওভারের শেষ বল কাভারে পাঠিয়ে প্রান্ত বদল করলেন মুশফিকুর রহিম। এই সিঙ্গেলের সাহায্যে ৩৯ রানে পৌঁছে গেলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার। লিটন দাস এগিয়েছেন আরও একটু। ফিফটি থেকে মাত্র ২ রান দূরে আছেন তিনি।
মুশফিকের ওই রানের পরই প্রথম সেশনের খেলা শেষ হয়। তাতে ফিফটির অপেক্ষা বাড়ে লিটনের। এমন আরও একটি অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশের; সেটা বড় লিডের অপেক্ষা। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৪ উইকেট ২০৩ রান। প্রথম ইনিংস ৪৬ রানের লিড পেয়েছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সব মিলিয়ে ২৪৯ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চে গেছে বাংলাদেশ।
৩ উইকেট হারিয়ে ১১০ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। শান্ত ১৩ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন। দিনের শুরুতেই হতাশ করেন অধিনায়ক। ব্যক্তিগত ১৫ রানে খুররম শেহজাদের বলে এলবিডব্লু হন বাঁহাতি ব্যাটার। শান্তকে বিদায় করে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের চোখেমুখে কিছুটা স্বস্তির ছাপ দেখা গেছে। কিন্তু সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে স্বস্তি যেন বিষাদে রূপ নিয়েছে। পঞ্চম উইকেটে দলের হাল ধরে লিটন এবং মুশফিক সফরকারীদের যেন বোঝাতে চাইছেন—সকালের সূর্যটা সব সময় সারা দিনের পূর্বাভাস দেয় না।
শান্তকে হারানোর পর জুটি জমিয়ে তুলেছেন লিটন-মুশফিকরা। মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগে তাঁদের দুজনের ব্যাটে যোগ হয়েছে ৮৮ রান। তাঁদের ব্যাটে এখন বড় লিডের স্বপ্নই দেখছে বাংলাদেশ। আজ প্রথম সেশনে ১ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৯৩ রান তুলেছে স্বাগতিকেরা। এর আগে প্রথম ইনিংসে লিটনের লড়াকু সেঞ্চুরিতে (১২৬) ২৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। এবারও ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে গেছেন টি-টোয়েন্ট দলপতি। জবাবে পাকিস্তান থেমেছে ২৩২ রানে। অতি নাটকীয় কিছু না হলে ঢাকা টেস্টের মতো সিলেটেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।