হোম > খেলা > ক্রিকেট

বিশ্বকাপ না খেললে ক্রিকেটারদের জন্য বিকল্পও ভাবছে বিসিবি

রানা আব্বাস, ঢাকা 

বসে থাকতে হবে না ক্রিকেটারদের। ফাইল ছবি

একেকজন ক্রিকেটার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার সভায় যোগ দিতে গাড়ি থেকে নামছেন আর তাঁকে ফোন-ক্যামেরা নিয়ে মৌমাছির মতো ঘিরে ধরছেন সংবাদকর্মীরা। তিন অধিনায়কসহ বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা অধিকাংশ ক্রিকেটারই উপস্থিত ছিলেন।

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর এত ঘটনা, ফিজ অবশ্য গতকালের সভায় ছিলেন না। বিপিএলে তাঁর দল রংপুর রাইডার্স বিদায় নেওয়ার পরই ছুটি কাটাতে গেছেন সাতক্ষীরার বাড়িতে। বিপিএল একটু আগেভাগে শেষ হতেই ছুটির আমেজে থাকা তাসকিন আহমেদও উপস্থিত থাকতে পারেননি কালকের সভায়। পরশু মধ্যরাতে ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে বিসিবির নীতিনির্ধারকদের বৈঠকের পর গতকাল সকালে ক্রিকেটারদের সভার কথা জানানো হয়।

আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার ঘটনার ১৯ দিনের মধ্যে প্রথমবারের মতো ক্রীড়া উপদেষ্টা ক্রিকেটারদের মতামত নিতে গতকাল বসলেন। অবশ্য এটিকে খেলোয়াড়দের ‘মতামত’ শোনার চেয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত জানানোর সভা বলাই ভালো। সভায় ক্রিকেটাররা কী বলেছেন, সেটি নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের এই সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল সরকার কেন এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছে, সেটা তাদের ব্যাখ্যা করা। তারা এটা বুঝতে পেরেছে, এটাই উদ্দেশ্য ছিল আর কিছু না। তারা আমাদের কে কী বলেছে, সেটা বলার অধিকার আমার নেই।’

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক ক্রিকেটার জানালেন, তাঁরা সবাই সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। বিশ্বকাপে খেলা-না খেলার লাভ-ক্ষতি বা নিজেদের কোনো চাওয়া-পাওয়া নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক খেলোয়াড় বললেন, ‘এখন দেশের যে পরিস্থিতি, সরকার যেভাবে সিদ্ধান্ত নেবে, ক্রিকেট বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নেবে আমাদের সেটা সমর্থন করতে হবে। কারণ, আমরা তাদের বাইরে না। হ্যাঁ, আমরা মাঠে খেলি, খেলোয়াড়েরা সব সময় চায় মাঠে খেলতে। কিন্তু সরকার, ক্রিকেট বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটার পক্ষে থাকতে হবে। কারণ, আমরা চাইলেই তো অন্য কিছু করতে পারব না।’

গতকালের সভায় ক্রীড়া উপদেষ্টার উপস্থিতিতে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম আরেকটি বিষয়ে আলোচনা সেরেছেন। সূত্র জানায়, যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ না খেলা হয়, বিসিবি খেলোয়াড়দের বসিয়ে রাখতে চায় না। এ সময়ে একটি ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের চেষ্টা করবে। যেখানে খেলোয়াড়দের এমন পারিশ্রমিক দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে, আর্থিক অঙ্কে বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া প্রাইজমানির কাছাকাছি হয়। অবশ্য খেলোয়াড়রা তো আর্থিক চিন্তা করে আইসিসির ইভেন্ট খেলতে উন্মুখ থাকে না, তাঁরা চান বড় মঞ্চে মেলে ধরে দেশের গৌরব বয়ে আনতে। আপাতত সেটা না হওয়ায় খেলোয়াড়দের মন খারাপ হবে, সেটিই স্বাভাবিক। তবে সরকারের সিদ্ধান্তের সমর্থনও তাঁদের দিতে হচ্ছে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে আইসিসির রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কাও থাকছে। রাজস্ব হারালে কত ক্ষতি হবে, সে হিসাব-নিকাশ আরও আগে শুরু হয়েছে। বিসিবির বর্তমানে বার্ষিক আয় গড়ে ৩৫০ কোটি টাকা। ২০২৪-২০২৭ চক্রে বার্ষিক ভিত্তিতে আইসিসির বার্ষিক মোট আয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলার। আইসিসির কেন্দ্রীয় আয়ের অংশ হিসাবে বিসিবি প্রতিবছর প্রায় ২৬.৭৪ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় ২৮০-২৯০ কোটি টাকা রাজস্ব পায়।

সরকার ও বিসিবি অবশ্য মনে করে, প্রায় ৩০০ কোটি টাকা হারানোর ক্ষতির চেয়ে তাদের কাছে নিরাপত্তা ও দেশের ‘মর্যাদা’ বড়।

বাঁচা-মরার ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২০০ রান

বড় ব্যবধানে হেরে বিদায় নিল রিশাদের হোবার্ট

বিপিএল ফাইনালে ফিল্ডিংয়ে চট্টগ্রাম

ভারত সফরের মাঝপথে বিশ্বকাপ দলের ক্রিকেটার হারাল নিউজিল্যান্ড

ফাইনাল শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে মিরপুরে হাজির বিপিএল ট্রফি

‘পাকিস্তানের উসকানিতেই বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের’

আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তিকরণ কমিটির হস্তক্ষেপ চেয়েছে বিসিবি

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসিকে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিসিবি

বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ বয়কটের আহ্বান রশিদের

হেলিকপ্টারে মাঠে আসবে বিপিএলের ট্রফি