সরকার পুরোনো বাকশালের পুনরুত্থান ঘটিয়ে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নানা কালাকানুনের মাধ্যমে সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অসংখ্য গণমাধ্যম। সত্য প্রকাশে খুনের শিকার হয়েছেন অর্ধশতাধিক সাংবাদিক। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা মামলায় গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বহু সাংবাদিক, শিক্ষক, পেশাজীবী এমনকি শিশু শিক্ষার্থীরাও।
সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বার্থে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন এক বিষাদময় কালিমালিপ্ত দিন। এদিনে তৎকালীন একদলীয় বাকশাল সরকার নাৎসি কায়দায় তাদের অনুগত চারটি সংবাদপত্র রেখে অন্য সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত অসংখ্য সংবাদকর্মীকে বেকার করে হতাশার অতল গহ্বরে ঠেলে দিয়েছিল।’
বাণীতে সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মন্ত্রী-এমপিদের সত্য সমালোচনা করলেই সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বর্তমান দুঃসময়ে গণমাধ্যমের কর্মীদের শঙ্কা ও ভয়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। সত্য কথা লিখতে গিয়ে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার, গুম ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। ’৭৫-এর এই দিনের (১৬ জুন) বিভীষিকা এখন ভিন্নমাত্রায় দেশে বিরাজমান রয়েছে। সেই জন্য অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’