হোম > রাজনীতি

বিএনপির শরিক জোট: মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে হচ্ছে নৈশভোজ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

আন্দোলন ও নির্বাচনের দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বিএনপির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে দলটির মিত্র কয়েকটি দল ও জোট। কিন্তু নির্বাচনের আগে দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে শরিকদের মাঝে একধরনের ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠনের পর বিএনপি তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর ‘নামমাত্র’ বাস্তবায়ন করেছে।

শরিকদের সঙ্গে সৃষ্ট এই টানাপোড়েন দূর করতে তাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উপলক্ষে ২০ জুলাই শরিকদের সম্মানে যমুনায় নৈশভোজের আয়োজন করা হতে পারে বলে জানা গেছে। সেখানেই শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সরকারপ্রধান খোলামেলা আলোচনা করবেন।

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে ক্ষমতার অংশীদারত্ব এবং নীতি নির্ধারণী বিষয়ে মিত্রদের যে ধরনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, বর্তমান সরকারে তার প্রতিফলন দেখছে না যুগপৎ আন্দোলনের শরিকেরা। ফলে শরিকদের মধ্যে একধরনের অবমূল্যায়নের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। এই ক্ষোভ প্রশমন করে জোটের ঐক্য ধরে রাখাই এখন বিএনপির মূল লক্ষ্য।

এবারের আলোচনা ও নৈশভোজের ক্ষেত্রে বিএনপি একটি বিশেষ কৌশল অবলম্বন করছে জানিয়ে সূত্রটি বলছে, যেসব শরিক দল থেকে ইতিমধ্যেই সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন, এই নৈশভোজে আপাতদৃষ্টিতে তাঁদের ডাকা হচ্ছে না। যাঁরা নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি বা সংসদে প্রতিনিধিত্ব পাননি, মূলত তাঁদের মানভঞ্জন এবং মূল্যায়নের বিষয়টিই এই বৈঠকে অগ্রাধিকার পাবে।

শরিক দলগুলোর একাধিক নেতা জানান, ক্ষোভ ও অসন্তোষ থেকে সৃষ্ট দূরত্বের ব্যাপারে এরই মধ্যে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে অনেকের আলাপ হয়েছে। তাঁদের কেউ কেউ বিএনপির চেয়ারম্যানের সঙ্গেও দেখা করেছেন। সব ঠিক থাকলে ২০ জুলাই বিএনপির চেয়ারম্যানের নৈশভোজ হবে। যদিও এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বার্তা বা চিঠি আসেনি বলেও জানান তাঁরা।

তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে শরিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যানের নৈশভোজ আয়োজনের বিষয়টি জানা গেছে। কার্যালয়ের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, নৈশভোজ আয়োজনের দিন-তারিখ এখনো কাউকে জানানো হয়নি। তবে ২০ জুলাই এই অনুষ্ঠান হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। এখনো পর্যন্ত এটাই জানা গেছে। ওই নৈশভোজে আমন্ত্রিতদের চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলেও জানায় সূত্রটি।

জানতে চাইলে গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে তারেক সাহেবের (তারেক রহমান) বসার কথা শুনেছি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা এখনো দিন-তারিখ পাইনি।’

তারেক রহমানের সঙ্গে শরিকদের বৈঠক খুব তাড়াতাড়ি হবে বলে জানান এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ। ২০ জুলাই ওই বৈঠক হওয়ার জোর সম্ভাবনা আছে বলে জানান তিনিও।

আর ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান বাবুল জানান, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে। বিএনপির মহাসচিবের সঙ্গেও এ ব্যাপারে আলাপ হয়েছে। এই সপ্তাহেই নৈশভোজের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে আশা করছেন এই নেতা।

ব্যারিস্টার জমির জামায়াত নেতাদের পক্ষে আদালতে দাঁড়িয়েছেন, আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ: জামায়াত আমির

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক, আলোচনায় প্রাধান্য পেল যেসব

বাঁশখালীতে বন্যায় ভেসে যাওয়া নিহত দুই শিশুর পরিবারের পাশে ছাত্রদল

চট্টগ্রামে বন্যায় ভোগান্তি, সহায়তায় এনসিপির রেসপন্স টিম

ভোট গণনায় এদিক-ওদিক হলে হাত থাকবে না: সারজিস

বিএনপি ক্ষমতায় এসে হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে: হাসনাত

ভোট চুরি জুলাইয়ের আগেও হয়েছে, পরেও হয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

শেখ হাসিনা যদি দেশে ফেরে, তা হবে ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য: নাহিদ ইসলাম

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি ইসলামী আন্দোলনের

বন্যা পরিস্থিতিতে নেতা-কর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশনা ছাত্রদলের