হোম > রাজনীতি

দুই বেয়াইসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চারজন জয়ী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নিতাই রায় চৌধুরী, সাচিং প্রু ও দীপেন দেওয়ান। ফাইল ছবি

এবারের সংসদ নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের মনোনয়ন পাওয়ার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। তাদের মধ্যে চারজন প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এদের সবাই বিএনপি মনোনীত। নির্বাচিত প্রার্থীরা হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, সাচিং প্রু ও দীপেন দেওয়ান।

গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। একই দিনে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে ভোট হওয়া ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭ টির আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেছে।

ঢাকা–৩ আসনে জয়লাভ করেছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা। কেরানীগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা, আগানগর, তেঘরিয়া, কোন্ডা ও শুভাঢ্যা এলাকা নিয়ে গঠিত এ আসনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ে ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়েছেন। গয়েশ্বরের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহীনুর ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।

মাগুরা–২ আসনে জয়ী হয়েছেন নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বেয়াই। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নিতাই রায় পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ১৮ ভোট।

বান্দরবান আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেছেন মার্মা জনগোষ্ঠীর সাচিং প্রু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আবু সাঈদ মো. সূজা উদ্দীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। সাচিং প্রু বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। তিনি ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির মনোনয়নে অংশ নিয়েছিলেন।

রাঙামাটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে জয়ী হয়েছেন চাকমা জনগোষ্ঠীর দীপেন দেওয়ান। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট।

বিএনপি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আর যে দুজনকে মনোনয়ন দিয়েছিল তারা পরাজিত হয়েছেন। পরাজিত দুই প্রার্থী হলেন বাগেরহাট–১ আসনের কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ও বাগেরহাট–৪ আসনের সোমনাথ দে।

এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একজন করে সংখ্যালঘু প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল। তাঁরা দুজনই পরাজিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন খুলনা–১ আসনে জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী এবং মৌলভীবাজার–৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী প্রীতম দাশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ৭৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২২টি দল সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে ৬৭ জনকে মনোনয়ন দেয়। বাকি ১২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।

দমন-পীড়ন চলতে থাকলে রাজপথে কর্মসূচি: আসিফ মাহমুদ

তারেক রহমান, এক রাজনীতিকের পুনর্জন্মের গল্প

বিরোধীদলীয় কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ইসলামী ছাত্রশিবিরের

নির্বাচনে সুস্পষ্টভাবে কারচুপি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

ভোট গ্রহণটা যেভাবে হয়েছে, গণনাটা তার সম্পূর্ণ উল্টোভাবে হয়েছে: মামুনুল হক

আমাদের বাধ্য করা হলে রাজপথে নামব: জামায়াত আমির

ফাঁসির মঞ্চ থেকে সংসদে যাচ্ছেন লুৎফুজ্জামান বাবর, এ টি এম আজহার

মাইকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপির নেতা-কর্মীদের আক্রমণ করছে: আখতার হোসেন

তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

অর্থনীতি সচল করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল