বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘নির্বাচনের আগে ভোটারদের টাকা দেওয়াসহ নানা ঘটনা ঘটছে। মিডিয়ায় দেখি, লাখ লাখ নারীর বিশেষ কাপড় তৈরি হচ্ছে। ব্যালট পেপার ছাপানো হচ্ছে। সিলসহ ধরাও পড়ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। কমিশন বিষয়গুলো দেখবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।’
আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিএনপি চায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এ জন্য আমাদের প্রার্থী ও এজেন্টদের হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই নির্বাচন বাধাগ্রস্ত না হয়। বহু কাঙ্ক্ষিত এই নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, সে জন্য নির্বাচন কমিশন যাতে আইনানুগ ভূমিকা পালন করে, সে জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘মিডিয়ায় দেখি, লাখ লাখ নারীর বিশেষ কাপড় তৈরি হচ্ছে। ব্যালট পেপার ছাপানো হচ্ছে। সিলসহ ধরাও পড়ছে। নির্বাচন কমিশন এসব দেখার পরও তেমন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এসব ঘটনা নির্বাচনের দিন দেখার বিষয় নয়, আগেই কেন নির্বাচন কমিশনের নজরে আসছে না। গোয়েন্দাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সব বাহিনীই এখন নির্বাচন কমিশনের অধীন। তাহলে কেন আগে থেকে জানা যায় না। কিছু কিছু লোক নিজেদের ক্ষমতাবান মনে করেন। এটা সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছেন না। নির্বাচন কমিশনকে জানানোর পরও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আইন অনুযায়ী যার যে ভূমিকা, তা কঠোরভাবে পালন করা উচিত।’