হোম > জাতীয়

রাষ্ট্রপতি নিজের মতো ভাষণ দিতে পারেননি, ক্ষমতার ভারসাম্য কোথায়—প্রশ্ন রুমিন ফারহানার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সংসদে রুমিন ফারাহানা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনার জন্য বারবার আলোচনা হয়েছে। সরকারি দল, বিরোধী দল, চব্বিশের অভ্যুত্থানের আগে-পরে সব সময় বলা হয়েছে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার কথা। বিএনপি তার ভিশন ২০৩০ ও ৩১ দফায় এ-সম্পর্কিত প্রস্তাব রেখেছে। এই কারণে প্রত্যাশা ছিল—এবার রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিপরিষদ অনুমোদিত ভাষণের বাইরে গিয়ে নিজের মতো করে ভাষণ দিতে পারবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম, এবারও মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদিত ভাষণ দিতে হয়েছে। এতটুকু স্বাধীনতা আমরা রাষ্ট্রপতিকে দিতে পারিনি, তাহলে আমরা কোন ভারসাম্যের কথা বলছি।’

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য তিনি বিএনপিকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘বিএনপি মনোনয়ন না দেওয়ার কারণে দেশের লাখো মানুষের ভালোবাসা বুঝতে পেরেছি।’

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘এই আন্দোলনের সম্মুখসারিতে ছিলেন নারীরা। একঝাঁক নতুন প্রজন্মের তরুণ মুখ আমরা পেয়েছিলাম। সেই নারীরা এক বছর পার না হতেই হারিয়ে গেল কেন? সাতজন নারী সংসদ সদস্যের এই সংসদে প্রশ্ন রেখে যাচ্ছি। মিছিলের সামনের সারিতে নারীর প্রয়োজন হয়, টিয়ার শেল ও লাঠিপেটার সামনে নারী ঢাল হয়ে দাঁড়ায়, অস্থির সময়ে নারীর সাহায্য ছাড়া পার হওয়া যায় না আর সবকিছু যখন ঠিক হয়, তখন নারী হয়ে যায় ‘‘ট্রলের বস্তু’’। নারীর পোশাক, নারীর চেহারা, নারীর কথা, নারীর হাসি—সবকিছু তখন হাসির খোরাকে পরিণত হয়। ৫২ শতাংশ মানুষকে পেছনে ফেলে নতুন বাংলাদেশ রচনার কোনো চিন্তা যদি কেউ করে থাকে, সেটা কখনো সম্ভব নয়। কোনো দিন সম্ভব নয়।’

বিএনপিদলীয় সাবেক এই নেত্রী বলেন, ‘কর্মমুখী শিক্ষা দিয়ে চাকরির জন্য প্রস্তুত করতে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে বিশ্বব্যাংকের ঝুঁকিপূর্ণ লাল তালিকায় ইতিমধ্যে বাংলাদেশের নাম গেছে। একক শিল্প হিসেবে তৈরি পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতায় বৈদেশিক ঋণ বেড়ে ১১৩ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার হওয়া, বিদেশি বিনিয়োগের ক্রমাবনতি মোকাবিলা করতে হলে রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও বিদেশে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর কোনো বিকল্প নেই।’

রুমিন বলেন, গত ১৫ বছরে দেশ থেকে যে বিপুল পরিমাণ টাকা পাচার হয়েছে—বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবমতে এর পরিমাণ ২৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার; তা ফেরত আনা না গেলে কিংবা ব্যাংক খাতে থাকা ৬ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা না গেলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসবে না। মিথ্যা ইনভয়েসিং বন্ধ করা না গেলে টাকা পাচার বন্ধ হবে না।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘অলিগার্কিক কাঠামো ভেঙে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি তৈরি করতে হবে। আশা করব, ভবিষ্যতে সালমানের জায়গায় সাইফুর এসে বসবে না।’

৩ মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় করার নির্দেশনা দিয়ে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

বিচারক নিয়োগ ও পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগে ক্ষোভ-হতাশা

মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাছান মাহমুদসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ট্রাইব্যুনালের

৫ মামলায় বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন শুনানি ২৬ এপ্রিল

বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ

একাত্তর, নব্বই ও চব্বিশের তিন ট্রফিই বিএনপির ঘরে: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

সংসদে বিরোধী দল খুবই সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করছে: ইউএনডিপি প্রতিনিধিকে স্পিকার

স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান পিছিয়ে ১৬ এপ্রিল

আদালতে পুরোটা সময় বিষণ্ন শিরীন শারমিন, চত্বরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

শিরীন শারমিনের রিমান্ড নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর আদেশ