আদালতের মালখানা ও থানায় থাকা জব্দ মালামাল সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে ১২ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
আজ বুধবার পুলিশের প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে পাঁচ আইনজীবীর করা এ-সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের মালখানা ও থানায় থাকা জব্দ মালামাল কীভাবে সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা করা হয়, তা জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিবেদন আজ হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, জব্দ করা আলামতের বিষয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দেশের সব থানার উদ্দেশে সার্কুলার জারি করতে পুলিশের মহাপরিদর্শককে এবং অধস্তন আদালতের উদ্দেশে সার্কুলার জারি করতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিশির মনির বলেন, ঢাকাসহ দেশের সব আদালত ও থানা এলাকায় জব্দ করা মালামাল বছরের পর বছর পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসব মালামাল নিয়ে এমন অব্যবস্থাপনা বিশ্বের আর কোথাও দেখা যায় না। এসব মালামাল বছরের পর বছর পড়ে থেকে নষ্ট হয়। এগুলো রাষ্ট্রের কোনো কাজে লাগে না, আবার প্রকৃত মালিকও তা ব্যবহার করতে পারেন না।