দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে গোপনীয়তার বিষয়গুলো মেনে চলার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, তারা যেন নিরাপদ বোধ করে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানেরা এবং কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা সকলে যদি একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে নিশ্চয়ই এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।’ এ ছাড়া দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করতেও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জাতিকে একটি সুশৃঙ্খল জায়গায় নিয়ে আসতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সরকারি নিয়মনীতি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে কার্যালয়ের গঠন ও কার্যাবলি বিষয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।
সভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে। কর্মকর্তা-কর্মাচারীরাও সেই সরকারের অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার তখনই ভালো করবে, যখন আপনারা সরকারকে সহযোগিতা করবেন।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা এই দেশকে আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা বলে মনে করি। তাই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্যও আমাদেরই কাজ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের একটি ম্যানিফেস্টো থাকে। তিনি বলেন, ‘একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই ম্যানিফেস্টোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদের কাজ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ক্রীড়াসহ ম্যানিফেস্টোতে উল্লিখিত সব অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চান।