হোম > জাতীয়

পণ্য খালাসে বিলম্ব, ১৩ জাহাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে পণ্য দ্রুত খালাস না করে আটকে রাখার অভিযোগে ১৩টি জাহাজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর। এর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার জরিমানা আদায় এবং দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলার উদ্যোগ।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আজ রোববার বিকেলে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী।

তিনি বলেন, আইনগত ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। পণ্য যেখানে গুদামজাত করা হয়েছে, সেখানে নিয়মিত অভিযান চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র রমজান সামনে রেখে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ায় জানুয়ারি মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যবাহী মাদার ভেসেলের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে বন্দরের বহির্নোঙরে ১১০টি জাহাজ অবস্থান করছে। গত রমজানে খাদ্যপণ্যবাহী জাহাজের সর্বোচ্চ সংখ্যা ছিল ৪৩। তবে এ বছরের জানুয়ারির প্রথমার্ধেই এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬১।

হঠাৎ জাহাজের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় লাইটার ভেসেলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে সাময়িক সংকট তৈরি হলেও বর্তমানে সে সংকট নেই বলে জানান নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে ২ হাজার ২৫৮টি লাইটার ভেসেল অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে তিনটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সহায়তা দিচ্ছে। গত ১৫ জানুয়ারি থেকে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরী, ঢাকার বুড়িগঙ্গা, মুন্সিগঞ্জের মেঘনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও যশোরের নোয়াপাড়ার ভৈরব নদীতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১৭ দিনে ৪০৯টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৯২টি জাহাজ ১০ দিনের কম, ৮৭টি ১০ দিনের বেশি এবং ৩০টি ২০ দিনের বেশি সময় ধরে পণ্য খালাসের অপেক্ষায় ছিল। আজ বিভিন্ন নদীবন্দর পরিদর্শনে দেখা গেছে, নারায়ণগঞ্জ থেকে যশোরের নোয়াপাড়া পর্যন্ত সব ঘাটে বর্তমানে দ্রুতগতিতে পণ্য খালাস চলছে।

গত ১৫ দিনে ৭৩৫টি লাইটার জাহাজ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত ৩০ জানুয়ারি থেকে লাইটার ভেসেল ব্যবস্থাপনায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর একটি সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস ও লাইটার জাহাজ বরাদ্দপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে।

তবে অনেক ঘাটে এখনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পণ্য খালাস হওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলে জানান নৌ মহাপরিচালক। এ সমস্যা সমাধানে স্বয়ংক্রিয় ক্রেনের মাধ্যমে পণ্য খালাসের ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নৌপরিবহন অধিদপ্তর জানিয়েছে, লাইটার জাহাজের সংকট পুরোপুরি নিরসন না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান এবং ডিজিটাল তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চানখাঁরপুল হত্যা মামলা: আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি পাবেন না ৫ আসামি

নির্বাচনকালীন সম্মানীর নামে কর্মকর্তাদের বিকাশ নম্বর চেয়ে প্রতারণা, সতর্ক করল ইসি

ভোটের দায়িত্বে বিএনসিসিকে চায় না বিএনপি

জনতা ব্যাংকের ১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ

মুক্তবাণিজ্য চুক্তি: ভারত করেছে, বাংলাদেশকেও জরুরি ভিত্তিতে করার পরামর্শ ইইউর

এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

কর্মকর্তাদের পক্ষপাতের প্রমাণ পেলে অবস্থা খুব খারাপ হবে: ইসি সানাউল্লাহ

তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১৭৭৪ জন আটক, ১৭৯ অস্ত্র উদ্ধার: আইএসপিআর

কোনো স্বৈরাচার যাতে জনগণের ওপর চেপে বসতে না পারে, সে জন্যই জুলাই সনদ: আলী রীয়াজ

নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত সহিংসতা হতে পারে, আশঙ্কা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার