হোম > জাতীয়

‎ই-ফায়ার লাইসেন্স চালু, ঘরে বসেই মিলবে সেবা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

বৃহস্পতিবার ই-ফায়ার সেবার উদ্বোধন করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। ছবি: ফায়ার সার্ভিস

‎জনসাধারণের সেবা গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সময়োপযোগী করতে ই-ফায়ার লাইসেন্স সেবা চালু করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর মিরপুর-১০ সেকশনে ইওসি ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ই-ফায়ার সেবার উদ্বোধন করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।

আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর জানায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ম্যানুয়াল পদ্ধতির ফায়ার লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া এখন থেকে পুরোপুরি অনলাইনে রূপান্তরিত হয়েছে। এর ফলে আবেদন করা থেকে শুরু করে লাইসেন্স প্রাপ্তি, নবায়ন ও পুনর্মূল্যায়ন—সব ধরনের কার্যক্রম এখন ঘরে বসেই সম্পন্ন করা যাবে। ফলে সেবা গ্রহণে ভোগান্তি কমবে এবং স্বচ্ছতা ও গতি বাড়বে। ‎

‎বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আজ ১ মে থেকে ফায়ার লাইসেন্স সংক্রান্ত নতুন আবেদন, নবায়ন ও অন্যান্য সব কার্যক্রম শুধুমাত্র অনলাইনে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

‎অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন ই-ফায়ার লাইসেন্স বাস্তবায়ন টিমের প্রধান এবং পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান। ‎

‎অনুষ্ঠানে অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও ই-ফায়ার লাইসেন্স প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান Perky Rabbit Corporation Limited-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারাও ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার ই-ফায়ার সেবার উদ্বোধন করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। ছবি: ফায়ার সার্ভিস

ফায়ার লাইসেন্স কী?

ফায়ার লাইসেন্স হলো বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর (এফএসসিডি) কর্তৃক প্রদত্ত একটি বাধ্যতামূলক আইনগত অনুমোদনপত্র। এটি ‘অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন, ২০০৩’ অনুযায়ী কলকারখানা, গুদাম, বহুতল ভবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিক স্থাপনায় প্রয়োজনীয় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে। ফায়ার লাইসেন্স অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে। এই লাইসেন্সের জন্য আবেদনের পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট কলকারখানা, ভবন বা স্থাপনাটি পরিদর্শন করেন। ওই সব স্থাপনায় পর্যাপ্ত অগ্নি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা ব্যবস্থা (যেমন: ফায়ার অ্যালার্ম, স্মোক ডিটেক্টর, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, জরুরি বহির্গমন পথ এবং উচ্ছেদ পরিকল্পনা) থাকলে এই লাইসেন্স দেওয়া হয়।

বাণিজ্যিক, শিল্প এবং আবাসিক—সব ধরনের ভবনের (অফিস, কারখানা, গুদাম, শপিং মল, হাসপাতাল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) জন্য ফায়ার লাইসেন্স সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক। এই লাইসেন্স প্রতি বছর নবায়ন করতে হয়। ফায়ার লাইসেন্স সংগ্রহ বা নবায়ন না করলে জরিমানা এমনকি প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়ার বিধান রয়েছে।

আজ শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা

মহান মে দিবস আজ: সুস্থ শ্রমিক কর্মঠ হাত

হাওরে বৃষ্টি ও ঢল: ক্ষণিক রোদে স্বস্তিতে কৃষক, ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ততা

পদক পাচ্ছেন ১০৭ পুলিশ সদস্য

শেষ হলো ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন, ২৫ কার্যদিবসে ৯৪ বিল পাস

সংসদের সবুজ চেয়ার নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

কোনোভাবেই এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

এপ্রিলে বেড়েছে মব সহিংসতা ও অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার: এমএসএফ

নির্বাচিতদের থেকে সংরক্ষিত আসনের এমপিরা শিক্ষাগত যোগ্যতায় এগিয়ে: টিআইবি

সম্ভাবনার প্রতীককে সঙ্গে নিয়ে এগোচ্ছি: মির্জা ফখরুল