জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
পাবলিক টয়লেট ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি; সারা দেশে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পাবলিক টয়লেট-সুবিধার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্য এবং সার্বিক পরিচ্ছন্নতার মান উন্নত করা; নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যবহারবান্ধব টয়লেট-সুবিধা নিশ্চিত করা; পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ও স্থায়িত্বের জন্য কার্যকর ব্যবস্থাপনা মডেল এবং অর্থায়ন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নীতিমালার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন ও প্রয়োজন অনুযায়ী এটিকে যুগোপযোগী করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারবিধি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেবে। ভৌত অবকাঠামো-সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্পে নারীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কোনোভাবেই টয়লেটের বর্জ্য যাতে নদী-খাল-বিলসহ অন্যান্য জলাশয়ে পতিত হয়ে পানিদূষণ ঘটাতে না পারে, সে জন্য এসব টয়লেটের বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ আবশ্যক করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, টয়লেট ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে সমন্বিতভাবে সড়ক ও মহাসড়কের উপযুক্ত স্থানে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক পাবলিক টয়লেট স্থাপনের কার্যক্রম নিতে হবে। এ ছাড়া নীতিমালাটি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক কর্মপরিকল্পনাও নিতে হবে।