বাংলাদেশ বিমানের পরিচালনা পর্ষদে নিয়োগ পেলেও কাজে যোগ দেননি বলে জানিয়েছেন বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আজ শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ফয়েজ আহমদ লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক হিসেবে আমি জয়েন করিনি। হ্যাঁ, আমার নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে জয়েনিং লেটারে স্বাক্ষর করিনি, অফিস করিনি, বোর্ডেও বসিনি কখনো।’
বিষয়টি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টাসহ কয়েকজনকে জানিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেছেন ফয়েজ আহমদ। তিনি লিখেছেন, ‘বিষয়টি আমি সাবেক উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ স্যার, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়কে জানিয়েছিলাম।’
ফেসবুক পোস্টে ফয়েজ আহমদ জানান, বাংলাদেশ বিমানের টিকিটিং সিস্টেমে জালিয়াতি রোধে তাঁর টিমকে নিয়ে একটি ছোট টেকনিক্যাল রিপোর্ট করেছিলেন তিনি। বিমানের ‘টপ ম্যানেজমেন্ট’ (উচ্চপর্যায়ের ব্যবস্থাপনা দল) সেই কাজে খুশি হয়ে ফয়েজ আহমদের নাম পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে প্রস্তাব করে থাকতে পারেন বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদে তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদকে বিমানের নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, জনস্বার্থে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।