সরকারি গাড়িতে নয়, নিজের গাড়িতেই চলাফেরা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজের গাড়ি, নিজের চালক ও নিজের ক্রয় করা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না।’
দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথম কর্মদিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধ, শেরে বাংলা নগরে বাবা মায়ের সমাধিস্থল ও সচিবালয়ে নিজের গাড়িই ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রুমন বলেন, ‘যানজটের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁর গাড়িবহরের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এত দিন গাড়িবহরে ১৩/১৪টি গাড়ি থাকত। আজ সেটা কমিয়ে চারটি করা হয়েছে। শপথ নেওয়ার পর প্রথম দিনের কর্মসূচিতে পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান অথবা বিদেশি মেহমানদের সফরের সময় তাঁর গাড়িতে পতাকা ব্যবহার করা হবে বলে জানান রুমন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে সব মন্ত্রীদের সচিবালয় থেকে আসতে একটা জট সৃষ্টি হয়, ভিআইপি চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। সেসব কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বেশির ভাগ সময় সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
এদিকে রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে সড়কের দুই ধারে পোশাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে নিয়ম, তাও বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ সকালে গুলশানের বাসা থেকে নিজের গাড়িতে চড়ে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সাভার থেকে প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দুই জায়গাতেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যরা ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে গিয়ে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে অংশ নেন।