গণমাধ্যমে আক্রমণ বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যম সম্মিলন-২০২৬’-এর সূচনা বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নূরুল কবীর বলেন, ‘ডেইলি স্টারের অফিসের আক্রমণটা শুধুমাত্র বিল্ডিংয়ের ওপর আক্রমণ ছিল না। সাংবাদিককে ওপরে রেখে চারদিকে আগুন দিয়ে, দমকল বাহিনী আসতে বাধা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে তাঁদের জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার মধ্যযুগীয় বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ।’
সম্পাদক পরিষদের সভাপতি আরও বলেন, ‘এই ঘটনায় যাঁরা ছিলেন, তাঁরা জুলাইয়ের মূল চেতনা, জুলাইয়ের গণতান্ত্রিক চেতনাকে ধ্বংস করবার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিলেন।’
নূরুল কবীর বলেন, ‘সংবাদপত্র যদি সচল না থাকে, সক্রিয় না থাকে, গণমাধ্যম যদি উচ্চকণ্ঠ না হতে পারে, তবে গোটা সমাজের মধ্যে নানা ধরনের অধিকার ব্যাহত হতে বাধ্য। ফলে যেকোনো দেশে গণমাধ্যমের বিকাশ এবং সেই সমাজের সার্বিক গণতান্ত্রিক বিকাশ একে অন্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে।’
আজ সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে গণমাধ্যম সম্মিলন শুরু হয়। সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এই সম্মিলনের আয়োজন করেছে।
নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের সদস্য, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এবং ঢাকার বাইরে কর্মরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সম্পাদক-প্রকাশকেরা সম্মিলনে অংশ নিয়েছেন।
বেলা দেড়টা পর্যন্ত এই সম্মিলন চলবে।