হোম > জাতীয়

টিকিট বিক্রি করতে চাই না, বাস্তব কাজ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

বাসস, ঢাকা  

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএম অফিস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার কোনো ‘টিকিট বিক্রি’ করতে চায় না, বরং বাস্তব কাজের মাধ্যমে দেশ গড়তে চায়। আজ সোমবার বিকেলে যশোরের ঈদগাহ প্রাঙ্গণে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো টিকিট বিক্রি করতে চাই না, বরং বাস্তব কাজ করতে চাই। সে জন্য আমরা বলি, ‘‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’’’ এ সময় তিনি মঞ্চের সামনে উপস্থিত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘কে কে আছেন আমার সঙ্গে দেশ গড়ার জন্য?’ জবাবে হাজারো মানুষ হাত তুললে তিনি বলেন, হাজারো-লাখো মানুষ দেশ গড়ার জন্য আছে, আলহামদুলিল্লাহ।

তারেক রহমান বলেন, ‘আসুন, আজকে আমাদের প্রতিশ্রুতি হবে, করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। কারণ, এ দেশ আপনার, এ দেশ আমার, এ দেশ আমাদের সকলের, সকল বাংলাদেশির।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেই ১২ তারিখের নির্বাচনে দলটিকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতেই বিএনপি সরকার কাজ করছে। তবে একটি মহল এই ম্যান্ডেট মেনে নিতে পারছে না এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একদল লোকের এই ম্যান্ডেট পছন্দ নয় এবং সেই জন্যই দেখেছেন বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে তারা বক্তৃতা দিচ্ছে। তারা বলে বেড়াচ্ছে বিএনপি বলে ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গিয়েছে। আসুন, আমরা দেখি, কারা ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গিয়েছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘৫ তারিখের পরে বিএনপি পরিষ্কার বলেছে, জুলাই-আগস্ট মাসে যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের বিচার হতে হবে। কিন্তু আমরা দেখেছি, ৫ তারিখের পরে কেউ কেউ বলেছিল, আমরা সবাইকে মাফ করে দিলাম। বলেছিল না? বলেছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কয়েক দিন আগে দেখেছি, যারা বক্তৃতায় জোরে জোরে কথা বলে, তাদেরকেই দেখেছি ফ্যাসিবাদের দোসরদের সঙ্গে ঢাকা থেকে অনেক দূরে গিয়ে মিটিং করতে, জনগণ যখন সেটা ঘিরে ফেলেছে, তখন আর তারা কোনো জবাব দিতে পারে না—কেন ফ্যাসিবাদের সঙ্গে গিয়ে মিটিং করেছে?’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির কাছে এখন অগ্রাধিকার হচ্ছে, যে সরকারকে বাংলাদেশের জনগণ ১২ তারিখের নির্বাচনে নির্বাচিত করেছে, সেই বিএনপি সরকারের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে মা-বোনদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা, সেই বিএনপির কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে হামের টিকার অভাবে যে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে, তাদের টিকার ব্যবস্থা করা। এর বাইরেও বাংলাদেশের গ্রামে, শহরে, উপজেলার মানুষ, জেলার মানুষ যে স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না, তাদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘যে সকল বেকার যুবক আছে, তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আমাদের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে, যে কৃষক সঠিকভাবে এখনো কৃষি উপকরণ পাচ্ছে না, তার জন্য সহায়তা প্রদানের নিশ্চয়তা করা, আমাদের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষের সন্তানদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গত দুদিন আগে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, ইনশা আল্লাহ মায়েদের হাতে আমরা যেমন ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি, ঠিক একইভাবে সারা বাংলাদেশের যাদেরকে ফ্যামিলি কার্ড দেব, ঠিক সেই মায়েদের কাছে আমরা আরেকটি কার্ড দেব, সেই কার্ডটি হচ্ছে ‘‘এলপিজি কার্ড’’। যাতে করে তাদেরকে আর রান্নার কষ্ট পোহাতে না হয়। যাতে করে পরিবারের খাবারদাবার, রান্নাবান্না করার সময় দুশ্চিন্তায় পড়তে না হয়। ধীরে ধীরে ইনশা আল্লাহ আমরা সেই ব্যবস্থাও মায়েদের জন্য করব।’

যশোর জেলা বিএনপির উদ্যোগে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যুগ্ম মহাসচিব পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সংসদে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতিতে স্পিকারের অসন্তোষ

আদানির বন্ধ ইউনিট ফের চালু

১৭৩ দিন হরতালের সুযোগ কাউকে দেব না: প্রধানমন্ত্রী

হত্যা মামলায় সাবেক সামরিক কর্মকর্তা মামুন খালেদ আবার রিমান্ডে

নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করবে ইসি

ফুয়েল পাসের আওতায় ব্যক্তিগত গাড়ি, আরও ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনে এনডিসি টিম

জুলাই সনদকে ‘আননেসেসারি’ বলায় সংসদে উত্তেজনা, হইচই

ইসির শুনানিতে বিএনপির আমিনা ও মাধবীর প্রার্থিতা বহাল

বজ্রপাতে ৪ জেলায় ৯ জনের মৃত্যু