হোম > জাতীয়

উন্নয়নশীল দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদা প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সদা প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২১’ এবং ‘আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২১’ এর গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। 

মিরপুর ক্যান্টনমেন্টের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছরে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেলাম। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। এখানে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ সদা প্রস্তুত।’

দেশের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দেশের মানুষ একটা উন্নত জীবন পাবে। একেবারে তৃণমূলে পড়ে থাকা মানুষটারও জীবনমান উন্নত হবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি।’ 
 
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীন দেশ হিসেবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বসভায় মর্যাদা নিয়ে চলবে। সেই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু করি।’ 

সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের সেনাবাহিনী চলতে পারে। কারণ, জাতিসংঘের শান্তিবাহিনীতে আমাদের সেনাবাহিনী অংশগ্রহণ করে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের চলতে হয়। তাই আধুনিক প্রযুক্তি, অস্ত্রশস্ত্র থেকে শুরু করে সকল ধরনের সরঞ্জামাদি সম্পর্কে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সব সময় প্রশিক্ষিত ও জ্ঞানলাভ করবে, সেটাই আমার চেষ্টা।’ 

শেখ হাসিনা বলেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ আত্মত্যাগে সদা প্রস্তুত থাকে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে নানান কার্যক্রম করেছে। দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি দেশের অবকাঠামো ও আর্থিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ শান্তি প্রতিষ্ঠা ও নিশ্চিতকল্পে দক্ষতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। 

পঁচাত্তর-পরবর্তী ২১ বছর সামরিক বাহিনীতে ১৯ বার ক্যু হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কত সামরিক কর্মকর্তা, জওয়ান, সৈনিক, সাধারণ মানুষকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে, তা জানা নেই। অনেক পরিবার এখনো তাদের মরদেহের সন্ধান কিংবা আপনজনের সন্ধানও পায়নি। এমন একটি অস্থিরতার মধ্যে ২১টি বছর কেটেছে। 

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশে-বিদেশের সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের জন্য একটি শীর্ষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা। আজ আমি সন্তুষ্টির সঙ্গে বলতে পারি, এই প্রতিষ্ঠান তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছে।’ 

প্রবাসীদের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে ভোট দিতে বলল ইসি

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না

জাতীয় স্কেলে বেতন পাবেন ইমাম-মুয়াজ্জিন, গেজেট প্রকাশ

মানবতাবিরোধী অপরাধ: জয়-পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

‘সাইকো’ সম্রাটের ঘটনায় ফের আলোচনায় রসু খাঁ, কোথায় তিনি

৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১৯৬৭ জন

পছন্দের প্রতীকই পেলেন তাসনিম জারা

ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ, বিদ্যুৎ না থাকা কেন্দ্রে যে ব্যবস্থা

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালামের আত্মসমর্পণের আবেদন

এফ বা এম ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ১৫ হাজার ডলার বন্ড লাগবে না: মার্কিন দূতাবাস