জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে। তাঁরা উভয়ই ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এ ছাড়াও দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন, আন্ত: সংসদীয় সম্পর্ক জোরদার, নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং মানবাধিকারসহ জাতিসংঘের শান্তি মিশনে নিযুক্ত বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীদের নিয়ে মত বিনিময় করেন।
আজ রোববার সংসদ সচিবালয়ে স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাতে আসেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আগামী অধিবেশনে সভাপতি পদে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য ফ্রেঞ্চ সরকারের সমর্থন কামনা করেন স্পিকার।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে বন্ধুত্বের পরিচয় দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার হচ্ছে ফ্রান্স।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল অনেক আগেই। বাংলাদেশের জনগণ সব সময় স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আসছে।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত স্বচ্ছ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ফরাসি দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।