সাধারণত বিমানবন্দর মানেই চেকইন, সিকিউরিটি লাইনের তাড়া আর বোর্ডিংয়ের ব্যস্ততা। কিন্তু আপনি কি জানেন, বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ট্রানজিট হাব সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর এখন আপনার ‘লাভ কানেকশন’ কিংবা জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়ার আদর্শ জায়গা হয়ে উঠেছে? অ্যাভিয়েশন লিগ্যাল-টেক ফার্ম এয়ার অ্যাডভাইজারের সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। তাদের প্রকাশিত ‘লাভ কানেকশন স্কোর’-এ বিশ্বের সেরা ১০টি বিমানবন্দরের তালিকায় ৭ নম্বরে আছে চাঙ্গি এয়ারপোর্ট।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই বিমানবন্দরের তালিকায় জায়গা পাওয়ার পেছনে আছে বেশ কিছু কারণ। সমীক্ষা অনুযায়ী, যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য এবং পরিবেশের দিক থেকে চাঙ্গি বিমানবন্দর ১০-এ ১০ নম্বর পেয়েছে। এখানকার ইনডোর রেইন ভর্টেক্স ঝরনা এবং জুয়েল চাঙ্গির সবুজ উদ্যান যাত্রীদের স্নায়ু শান্ত রাখে। ফলে অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ জমানো অনেক সহজ হয়ে যায়। শুধু ট্রানজিট হাব নয়, চাঙ্গি একটি লাইফস্টাইল গন্তব্য। এখানে প্রতি ১০ লাখ যাত্রীর জন্য ক্যাফে, বার এবং সামাজিক জায়গার সংখ্যা বিশ্বের যেকোনো বিমানবন্দরের চেয়ে বেশি। এখানে রয়েছে সিনেমা হল, ছাদের ওপর সুইমিংপুল। এ ছাড়া চমৎকার সব ডাইনিং এরিয়া। দীর্ঘ লে-ওভার কিংবা অপেক্ষার সময়গুলো যাত্রীরা অস্থির হয়ে গেটের সামনে বসে না থেকে এই সাধারণ জায়গাগুলোতে সময় কাটান। এই সময়টি একে অপরের সংস্পর্শে আসার সুযোগ বাড়িয়ে দেয়।
একনজরে সেরা ১০
এয়ার অ্যাডভাইজরের এই তালিকায় সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি ছাড়া অন্য বিমানবন্দরগুলো হলো যথাক্রমে তুরস্কের ইস্তাম্বুল, দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ইনচিওন, যুক্তরাজ্যের লন্ডন হিথরো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক জেএফকে, জাপানের টোকিও হানেদা, স্পেনের মাদ্রিদ, যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস এবং থাইল্যান্ডের ব্যাংকক সুবর্ণভূমি।
চাঙ্গিতে ‘সোলমেট’ পাওয়ার টিপস
এয়ার অ্যাডভাইজরের সিইও আন্তন রাদচেনকোর জানিয়েছেন, চাঙ্গি বিমানবন্দরে কারও সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে চাইলে কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখা জরুরি। কী সেগুলো—
সূত্র: ভিএন এক্সপ্রেস