হোম > জীবনধারা > জেনে নিন

জেনে নিই ভালো থাকি

কারা কীভাবে মাংস খাবেন

মো. ইকবাল হোসেন

ছবি: আফরোজা খানম মুক্তা

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। এদিন বাড়িতে গরু বা খাসির মাংসের বাহারি রান্নার ধুম পড়ে যায়। তবে মনে রাখতে হবে, প্রত্যেক মানুষের শরীরের বৈশিষ্ট্য আলাদা; খাবারের চাহিদাও। এর ওপর আছে রোগ। একেক ধরনের রোগে একেক পরিমাণ মাংস খাওয়ার বিধান দেওয়া হয়। চলুন, দেখে নিই কোন রোগে কতটুকু মাংস খেতে পারবেন এই ঈদে।

কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে

লাল মাংসে সোডিয়ামের পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে। তাই এ ধরনের রোগীদের গরু ও খাসির মাংস যদি এক বেলা খেতেই হয়, তাহলে সেটা কম লবণ দিয়ে রান্না করে ঝোল ছাড়া খেতে হবে। মাংস দিয়ে তৈরি অন্যান্য খাবার সীমিত পরিমাণে খেতে হবে।

হৃদ্‌রোগ থাকলে

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য গরু ও খাসির মাংস না খাওয়াই ভালো। তবে গরু বা খাসির মাংসের গায়ে লেগে থাকা সাদা চর্বি বাদ দিয়ে রান্না করে ঝোল ছাড়া পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যাবে। সঙ্গে পর্যাপ্ত আঁশ ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল থাকলে

কারও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে কিংবা রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকলেও

গরু-খাসির মাংস না খাওয়াই ভালো। খেলেও অল্প পরিমাণে চর্বি ছাড়া মাংস রান্না করে ঝোল ছাড়া খেতে হবে। এতে রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল বাড়ার ঝুঁকি খুব কম থাকবে।

ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে

প্রতি এক গ্রাম চর্বিতে প্রায় ৯ কিলোক্যালরি পাওয়া যায়। এতে সুগার লেভেল বেড়ে যায়। গরু-খাসির মাংসে চর্বি অনেক বেশি থাকে। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের গরু-খাসির মাংস পরিমিত খেতে হবে।

ইউরিক অ্যাসিডজনিত সমস্যায়

যাঁদের রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি, তাঁরা গরুর মাংস খাবেন না। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকলে কলিজা, মগজ, ভুঁড়ি, পায়া—এগুলোও খাওয়া যাবে না। তবে শরীরে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে থাকলে পরিমিত পরিমাণে গরু কিংবা খাসির মাংস খাওয়া যাবে।

ঝুঁকি কমাতে

হার্টের রোগী বা যাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেক বেশি কিংবা যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ আছে অথবা যাঁদের কিডনিতে সমস্যা রয়েছে, তাঁরা উৎসবের এক দিন লাল মাংস খেতে চাইলে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। সেগুলো হলো—

  • মাংসের গায়ে কোনো সাদা চর্বি লেগে থাকা যাবে না।
  • পরিমাণে অল্প এবং ঝোল ছাড়া মাংস খেতে হবে।
  • দুপুরে বা তার আগে মাংস খাবেন, কখনোই রাতের খাবারের সঙ্গে খাবেন না।
  • খাওয়ার পরে বিশ্রামে থাকবেন।
  • মাংস ছোট ছোট টুকরো করে কেটে রান্না করবেন।
  • রান্না মাংস না খেয়ে গ্রিল করে খাওয়া ভালো।
  • মাংস রান্নার সময় তাতে টমেটোর মতো পটাশিয়ামসমৃদ্ধ কোনো সবজি যোগ করুন। খাওয়ার সময় এক টুকরা লেবু নিন। এগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।

মো. ইকবাল হোসেন, সিনিয়র পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম

কোরবানির মাংস বানানোর সরঞ্জাম

সম্পর্কের নতুন ট্রেন্ড ‘ওয়াইল্ডফ্লাওয়ারিং’: বদলে যাচ্ছে জেন-জির ভালোবাসার ধরন

প্রাকৃতিক উপায়ে ঘর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে

ট্রেন্ডে থাকা ফাইবারম্যাক্সিং কী, জেনে নিন এর পুষ্টিগুণ এবং সঠিক উপায়

বইপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে বিশ্বের যে জায়গাগুলো

চোখের পলক বুজে পরক্ষণেই চমকে উঠছেন, কেন হয় এমন

সম্পর্কের শুরুতে অতিরিক্ত মনোযোগ: জেনে নিন, সেটি ভালোবাসা, নাকি লাভ বম্বিং

সঞ্চয় ও খরচের নিয়ম জানেন তো

আন্তর্জাতিক চা দিবসে জেনে নিন কোন চা কেমন কাপে পরিবেশন করা ভালো

ওজন কমানোর জন্য গড়ে তুলুন ৯ অভ্যাস