হোম > ইসলাম

দোয়া ইউনুস কী, কীভাবে পড়তে হয়, ফজিলত কী?

ইসলাম ডেস্ক 

আমাদের জীবনে দুঃখ, কষ্ট ও বিপদ আসা স্বাভাবিক। বিপদের সময় দিশেহারা না হয়ে ধৈর্য ধারণ করা এবং মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করাই মুমিনের পরিচয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আমার কাছে দোয়া করো, আমি তোমাদের দোয়া কবুল করব।’ (সুরা মুমিন: ৬০)

আমরা আলোচনা করব বিপদে নবী ইউনুস (আ.)-এর সেই বিশেষ দোয়া সম্পর্কে, যা পাঠ করলে আল্লাহ মুমিনদেরও কঠিন সংকট থেকে উদ্ধার করেন।

দোয়া ইউনুস কী?

হজরত ইউনুস (আ.)-কে আল্লাহ পরীক্ষার সম্মুখীন করেন। তিনি উত্তাল সমুদ্রে নিক্ষিপ্ত হন এবং একটি বিশাল মাছ তাকে গিলে ফেলে। মাছের পেটে বন্দী অবস্থায় তিনি আল্লাহর পবিত্রতা ও নিজের অপরাধ স্বীকার করে যে দোয়াটি পড়েছিলেন, তাকেই ‘দোয়া ইউনুস’ বলা হয়।

দোয়া ইউনুস হলো: ‘লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্ জালিমিন।’ অর্থ: (হে আল্লাহ) আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমি অপরাধী। (সুরা আম্বিয়া: ৮৭)

দোয়া ইউনুস পাঠের ৩ ফজিলত

১. দোয়া কবুলের নিশ্চয়তা: ‘কোনো মুসলিম ব্যক্তি যদি এ দোয়ার সাহায্যে আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ তা অবশ্যই কবুল করবেন।’ (জামে তিরমিজি: ৩৫০৫)

২. দুশ্চিন্তা মুক্তি: হাদিস অনুযায়ী, এই দোয়া পাঠ করলে আল্লাহ বান্দার মনের দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করে দেন।

৩. বিপদ থেকে নাজাত: আল্লাহ কোরআনে বলেছেন, ‘আমি তাঁর (ইউনুস) প্রার্থনা মঞ্জুর করেছি এবং তাকে দুঃখ থেকে মুক্তি দিয়েছি। আর এভাবেই আমি মুমিনদেরকে উদ্ধার করে থাকি।’ (সুরা আম্বিয়া: ৮৮)

দোয়া ইউনুস কীভাবে পড়বেন?

বিপদ-আপদ বা দুশ্চিন্তার সময় এই দোয়া বেশি বেশি পাঠ করা সুন্নত। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা (যেমন সোয়া লাখবার) জরুরি নয়। আপনার যতবার ইচ্ছা ও সম্ভব হয়, একাগ্রচিত্তে পাঠ করবেন।

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আসহাবে কাহাফ কারা, তাদের নাম কী

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

২০২৬ সালের রমজান ২৯ নাকি ৩০ দিন?

সুরা জিলজাল অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

কোরআন ও হাদিসে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দিকনির্দেশনা

মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত বলা হয় যে ৫ কারণে

সুরা হুমাজাহ অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ ও ব্যাখ্যা

তায়াম্মুম করার সঠিক নিয়ম ও বিধান

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬