রাসুলুল্লাহ (সা.) সকাল এবং সন্ধ্যায় এমন কিছু বিশেষ জিকির ও দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা পাঠ করলে সারা দিনের নিরাপত্তা ও বরকতই লাভের পাশাপাশি আখিরাতের কঠিন সময়েও তা মুক্তির মাধ্যম হবে।
১. যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সাইয়িদুল ইস্তিগফার পড়বে এবং ওই সময়ের মধ্যে মারা যাবে, সে জান্নাতি হবে—‘আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি লা-ইলা-হা ইল্লা আন্তা খালাকতানি ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহ্দিকা, ওয়া ওয়াদিকা মাসতোয়াতাতু, আউজুবিকা মিন শাররি মাসানাতু, আবুউ লাকা বিনিমাতিকা আলাইয়া, ওয়া আবুউ লাকা বিজাম্বি, ফাগফিরলি। ফা ইন্নাহু লাইয়াগফিরুজ্জুনুবা ইল্লাহ আন্তা।
২. সকাল ও সন্ধ্যায় ৩ বার এই দোয়াটি পড়লে আসমান ও জমিনের কোনো অনিষ্ট বা বিপদ তার ক্ষতি করতে পারবে না—‘বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস্সামাই ওয়া হুয়াসসামিউল আলিম।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সবকিছু শোনেন ও জানেন।’
৩. রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার পড়বে, কিয়ামতের দিন তার চেয়ে উত্তম আমল আর কেউ আনতে পারবে না।
৪. প্রতি ফরজ নামাজের পর এবং সকালে ও সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসি পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। এটি পাঠকারীকে জান্নাতে যাওয়ার পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না এবং এটি শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে সুরক্ষা দেয়।
৫. যে ব্যক্তি এই দোয়াটি সকালবেলা সাতবার এবং বিকেলবেলা সাতবার বলবে তার দুনিয়া ও আখিরাতের সব চিন্তাভাবনার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট হবেন—‘হাসবিয়াল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।’ অর্থ: আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই। আমি তার ওপরই ভরসা করি। আর তিনি মহান আরশের প্রতিপালক।