২০২৬ সালে পবিত্র রমজান মাস কি ২৯ দিনে হবে, না ৩০ দিনে? মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বের মুসলিমদের মধ্যে এই কৌতূহল এখন তুঙ্গে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষস্থানীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এ বছরের রমজানের সময়সূচি, রোজার দৈর্ঘ্য ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন।
এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইবারাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী এ বছর রমজান মাস ২৯ দিন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, হিজরি ১৪৪৭ সালের রমজান মাসের চাঁদ ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে জন্ম নিলেও ওই দিন খালি চোখে তা দেখা প্রায় অসম্ভব। ১৮ ফেব্রুয়ারি সূর্যাস্তের পর রমজানের চাঁদ স্পষ্ট দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে কিছু দেশে রমজান শুরু হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং অধিকাংশ দেশে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হতে পারে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এবারের রমজানে রোজার সময় খুব বেশি দীর্ঘ হবে না। আবুধাবির হিসাব অনুযায়ী শুরুর দিকে রোজার সময় হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট। শেষের দিকে রোজার সময় বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিটে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে রমজান শুরুর তারিখ এক বা দুই দিন এদিক-সেদিক হতে পারে। তবে আল জারওয়ানের মতে, এ বছর রমজান শুরুর তারিখে ভিন্নতা থাকলেও শাওয়াল মাস বা ঈদের দিন প্রায় সব মুসলিম দেশে একই দিনে (২০ মার্চ) হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
যদিও জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনা অত্যন্ত নিখুঁত, তবুও ইসলামি বিধান অনুযায়ী চাঁদ দেখার ওপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করে। তাই রমজান ও ঈদের সুনির্দিষ্ট তারিখ জানতে স্থানীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার অপেক্ষা করতে হবে।