মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধিতা করে রোষের শিকার হলেন দুই আইনপ্রণেতা ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে তাঁদের জন্মস্থানে ফিরে যাওয়া উচিত।
আল জাজিরা জানায়, গত মঙ্গলবার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, কয়েকটি মার্কিন শহর অভিবাসীদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণ করছে। এসব শহরের এই বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ক্ষমতা বাতিল করা উচিত।
তাঁর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইলহান ও রাশিদা চিৎকার করে বলেন, ‘আপনি মার্কিনদের হত্যা করেছেন!’
এর প্রতিক্রিয়ায় নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়নের মতো মার্জিত একটা আয়োজনে নির্বোধ ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিবকে উন্মত্তের মতো চিৎকার করতে দেখছেন সবাই। তাঁদের চোখে যেন রক্ত জমে গিয়েছিল, বদ্ধ উন্মাদ ও মানসিক বিকারগ্রস্তদের মতো। দেখে মনে হচ্ছিল, তাঁদের চিকিৎসা দরকার। তাঁদের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের যে ব্যবহার দেখা গেল, তাঁরা আমাদের দেশের জন্য বাজে উদাহরণ। তাঁরা যেখান থেকে এসেছেন, যত দ্রুত সম্ভব সেখানেই ফেরত পাঠানো উচিত।’
অবশ্য ট্রাম্পের কথার প্রতিবাদ করা অন্য রাজনীতিবিদদের দিকে কোনো তোপ দাগেননি তিনি। প্রসঙ্গত, ইলহান সোমালি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। আর রাশিদা তালিবের দেহে বইছে ফিলিস্তিনি রক্ত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইলহান লেখেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর আমার দুই ভোটারকে হত্যায় তাদের দায় রয়েছে।’
মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে গত মাসে অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে দুই শ্বেতাঙ্গ নাগরিক প্রাণ হারান।
ট্রাম্পকে ‘মাজনুন’ (উন্মাদ) উল্লেখ করে রাশিদা বলেন, ‘তাঁর বিরুদ্ধে দুই মুসলিম নারী কথা বলেছেন। তিনি এটা হজম করতে পারেননি।’