হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ট্রাম্পের বিরোধিতাকে মানসিক রোগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব

ফিলাডেলফিয়ায় ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভ। ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা একটি বিল উত্থাপন করেছেন। এই বিলে ‘ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট সিনড্রোম’ বা টিডিএস-কে মানসিক রোগ হিসেবে রাজ্যের আইনে সংজ্ঞায়িত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত সংজ্ঞা অনুসারে—টিডিএস হলো এমন একটি অবস্থা, যার ফলে কোনো ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ও প্রেসিডেন্সির প্রতি অযৌক্তিক প্রতিক্রিয়া দেখান।

‘ট্রাম্প ডিরেঞ্জমেন্ট সিনড্রোম’ শব্দগুচ্ছটি মূলত ট্রাম্প সমর্থকেরা বলে থাকেন। কেউ ট্রাম্পের প্রতি খুব নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখালে, সেই প্রতিক্রিয়াকে ওই শব্দগুচ্ছ বা টিডিএস বলে চিহ্নিত করেন ট্রাম্প সমর্থকেরা।

গত সোমবার মিনেসোটার পাঁচজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা এই বিলটি উত্থাপন করেন। তারা টিডিএসকে মানসিক রোগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়ে বলেন, ‘এটি হলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ও প্রেসিডেন্সির প্রতিক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হঠাৎ করে জাগ্রত হওয়া একপ্রকার ভয় বা সন্দেহ।’

প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, টিডিএস আক্রান্ত ব্যক্তিরা রাজনৈতিক মতবিরোধ ও মানসিক অবস্থার মধ্যে পার্থক্য করতে অসুবিধায় পড়েন।

বিলটির অন্যতম লেখক সিনেটর গ্লেন গ্রুয়েনহাগেন এই প্রস্তাবের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, ট্রাম্প সমালোচকদের ‘অযৌক্তিক আচরণ’ গভীর মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার ইঙ্গিত দেয় এবং এই বিল শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতবিরোধ নয়, বরং এই সমস্যার সমাধান খুঁজতে চায়।

এ বিষয়ে একটি ফেসবুক পোস্টে গ্লেন গ্রুয়েনহাগেন বলেছেন, ‘আমরা যুক্তিসংগত বিতর্ক করতে পারি। তবে সহিংস ও অযৌক্তিক প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত নয়। যেমন—টেসলা ডিলারশিপ পুড়িয়ে দেওয়া, ট্রাম্প টুপি পরা ব্যক্তিদের হুমকি দেওয়া, অথবা ট্রাম্পের স্টিকার লাগানো গাড়ি দেখে ধাওয়া করা।’

তবে গ্রুয়েনহাগেন স্বীকার করেছেন, বিলটি মিনেসোটা সিনেটে পাস হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ সেখানে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, ডেমোক্র্যাটরা এবং গভর্নর ওয়ালজ এই বিল পাস করতে দেবেন না। তাই দয়া করে গভীর শ্বাস নিন এবং শান্ত হন।’

টিডিএস শব্দগুচ্ছের সমালোচকেরা মনে করেন, এটি ট্রাম্পের নীতি ও আচরণের বৈধ সমালোচনাকে খারিজ করার জন্য ব্যবহৃত একটি কৌশল। কেউ কেউ আরও বলেন, এই লেবেলটি ট্রাম্প সমর্থকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে, যারা ট্রাম্পের বিরোধীদের প্রতি আক্রমণাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখান।

ইরান প্রতিবেশীদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে: ট্রাম্প

ইরানে গণতন্ত্র না এলেও আপত্তি নেই ট্রাম্পের, পরবর্তী লক্ষ্য কিউবা

ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া যুদ্ধ থামবে না: ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধের খরচ নিয়ে উদ্বেগ খোদ যুক্তরাষ্ট্রে

জর্ডানে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন রাডার ধ্বংস করেছে ইরান: সিএনএনের অনুসন্ধান

যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টাতেই যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৩.৭ বিলিয়ন ডলার

ভারতকে চীনের মতো শক্তিশালী শত্রু হতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশি জোবাইদুল আমিনকে যুক্তরাষ্ট্রে ধরে নিয়ে গেছে এফবিআই

মার্কিন বিমানবাহী রণতরিতে আবারও হামলার দাবি ইরানের

‘ইরান খুব শক্ত প্রতিপক্ষ, যুদ্ধ করতে চায়, আমরা তাদের চেয়েও বেশি যুদ্ধ করতে চাই’