হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি বাস্তবায়ন করতে ৭০ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন দিল সিনেট

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পরে থেকেই অভিবাসন আইন জোরদার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৭০ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল তহবিল অনুমোদন করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক সংশোধনীর ওপর ভোটাভুটি এবং প্রেসিডেন্টের অন্যান্য বিতর্কিত নীতি নিয়ে খোদ রিপাবলিকান পার্টির অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে আসার পর অবশেষে আজ গত শুক্রবার বিলটি পাস হয়।

এই বিলের মাধ্যমে ট্রাম্পের চলতি মেয়াদের বাকি সময়ের জন্য ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ও বর্ডার প্যাট্রোলের (সীমান্ত পাহারা)প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান হবে। অভিবাসন আইন প্রয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে কয়েক মাসের তিক্ত লড়াইয়ের পর সিনেটের আজকের সিদ্ধান্তকে রিপাবলিকানদের জন্য বড় আইনি বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিলটি এখন প্রতিনিধি পরিষদে পাঠানো হয়েছে। সেখানে রিপাবলিকান নেতারা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই এটি পাস করিয়ে ট্রাম্পের ডেস্কে সইয়ের জন্য পাঠানোর আশা করছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) কার্যক্রম আংশিক স্থগিত হওয়ার পর অভিবাসন তহবিল নিয়ে বিরোধ তীব্র হয়। ডেমোক্র্যাটরা সংবেদনশীল স্থানে অভিযান পরিচালনা এবং কর্মকর্তাদের মুখোশ ব্যবহারের মতো কৌশলের ওপর বিধিনিষেধ ছাড়া নতুন অর্থায়নে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে এবং ফাস্ট-ট্র্যাক ‘বাজেট রিকনসিলিয়েশন’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আইসিই ও বর্ডার প্যাট্রোলকে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। এই বিশেষ প্রক্রিয়ার সুবিধা হলো—নিজেদের দলের সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে ডেমোক্র্যাটদের বিরোধিতা উপেক্ষা করেই বিল পাস করা যায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে সিনেটে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা সংশোধনী প্রস্তাবের ম্যারাথন ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এটি ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে ‘ভোট-এ-রামা’ নামেও পরিচিত। এই বিশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার কারণে আইনপ্রণেতারা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিভিন্ন বিষয়ে ভোট দিতে বাধ্য হন, যার ফলে ট্রাম্পের নিজস্ব দলের সদস্যদের মধ্যেই নানা বিতর্ক ও অসন্তোষ আবার সামনে চলে আসে।

এর মধ্যে ট্রাম্পের অনুগত ব্যক্তিদের জন্য প্রস্তাবিত ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের একটি ‘অ্যান্টি-ওয়েপোনাইজেশন’ ক্ষতিপূরণ তহবিল এবং হোয়াইট হাউসের বলরুমের নিরাপত্তার জন্য বরাদ্দকৃত ১ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব নিয়ে রিপাবলিকানদের মধ্যেই অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটারদের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগের মুখে ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত অগ্রাধিকারগুলোকে রক্ষা করা রিপাবলিকানদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

২০২১ সালে মার্কিন ক্যাপিটল হিলে (কংগ্রেস ভবন) হামলায় দণ্ডিত ব্যক্তিরা যাতে করদাতাদের এই অর্থ না পায়, সে জন্য অনেকেই ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের ‘অ্যান্টি-ওয়েপোনাইজেশন’ তহবিলটিকে একটি ‘তহবিল তছরুপের মাধ্যম’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছিলেন। এর ফলে বিলটি কয়েক সপ্তাহ আটকে ছিল।

নিকারাগুয়ায় আর কোনো নির্বাচন হবে না—প্রেসিডেন্ট ওর্তেগার ঘোষণা

মামদানির বক্তব্য উড়িয়ে ট্রাম্প বললেন, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে গ্রেপ্তার হবেন না

স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো টানাপোড়েন নেই—ট্রাম্পের সাফাই

‘দূষিত বাতাস ছড়ানোয় মাশুল দিতে হবে’, এবার কানাডার ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

বিশ্বকাপের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বিব্রতকর পরিস্থিতির জন্ম দিলেন ট্রাম্প

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট অগ্রিম বিক্রি করবেন ট্রাম্প, ফি ১ লাখ ডলার

নিউইয়র্ক এলে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করতে চান মামদানি, যা বলল ইসরায়েল

ফের লাল কার্ড বিতর্ক উসকে দিলেন ট্রাম্প, প্রশংসা করলেন ফিফার প্রধানের

‘নোংরা’ বাতাস ছড়ানোর অভিযোগে কানাডার ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে এপস্টেইনের সংযোগ: জে ডি ভ্যান্স