হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিরুদ্ধে আবারও ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা করেছেন ট্রাম্প

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিরুদ্ধে অন্তত ১০ বিলিয়ন ডলারের মানহানি মামলা করেছেন। জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তাঁর কথিত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের জেরে এই মামলা করা হয়েছে। এর আগে আদালত আইনি ত্রুটির কারণে একই ধরনের একটি মামলা খারিজ করে দিয়েছিলেন।

নতুন মামলায় ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, একটি প্রতিবেদনে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দাবি করেছে, এপস্টেইনের জন্মদিন উপলক্ষে দেওয়া একটি কার্ডে ট্রাম্পের স্বাক্ষর ছিল। তবে ট্রাম্প ও তাঁর আইনজীবীরা বলছেন, ওই কার্ডটি ভুয়া।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, মিয়ামির ফেডারেল আদালতে গতকাল বুধবার করা সংশোধিত ওই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে মিডিয়া মোগল রুপার্ট মারডক, মার্কিন শেয়ারবাজারের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান সূচক ডো জোন্স, নিউজ ক্রপের প্রধান নির্বাহী রবার্ট থমসন এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দুই সাংবাদিক খাদিজা সাফদার ও জোসেফ পালাজ্জোলোকে। ট্রাম্পের দাবি, কথিত প্রতিবেদনটি তাঁর আর্থিক ও ব্যক্তিগত সুনামকে ‘ভয়াবহভাবে’ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

মামলায় বলা হয়েছে, প্রতিবেদন প্রকাশের সময় অভিযুক্তরা সত্যতা যাচাইয়ে ‘বেপরোয়া অবহেলা’ করেছে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে সত্য অনুসন্ধান এড়িয়ে গেছে। ট্রাম্প আগের মামলার মতো এবারও কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

অন্যদিকে মার্কিন শেয়ারবাজারের অন্যতম প্রাচীন ও প্রধান সূচক ডো জোন্স জানিয়েছে, তারা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনের নির্ভুলতা ও সাংবাদিকতার মানের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখে এবং আদালতে জোরালোভাবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে।

জেফরি এপস্টেইন ছিলেন একজন বিতর্কিত বিনিয়োগকারী ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী। ২০১৯ সালে বিচারাধীন অবস্থায় নিউইয়র্কের একটি কারাগারে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়ে আছে। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ২০০৬ সালে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা প্রকাশ্যে আসার আগেই তিনি তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন।

গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের জেলা বিচারক ড্যারিন পি গেইলস ট্রাম্পের আগের মামলা খারিজ করে দেন। বিচারক বলেছিলেন, জনপরিচিত ব্যক্তিদের মানহানির মামলায় যে ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচারের মানদণ্ড প্রমাণ করতে হয়, ট্রাম্প তা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

এদিকে ট্রাম্প এর আগেও নিউইয়র্ক টাইমস ও বিবিসির বিরুদ্ধে মানহানি এবং অন্যান্য অভিযোগে মামলা করেছেন। সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

সমালোচকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরকারি সংস্থায় সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার সীমিত করা এবং সমালোচনামূলক গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা ব্যবহারের হুমকিও এর অংশ বলে অভিযোগ রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এক মিত্র দেশকে কেন ‘উড়িয়ে’ দিতে চান ট্রাম্প, খোদ ওয়াশিংটনেই বিস্ময়

লোকেশন ডেটায় মার্কিন সেনাদের অবস্থান জেনে যাচ্ছে শত্রুরা, পেন্টাগনের দাবি

৬১ বছরের মধ্যে প্রথম, ইসরায়েল প্যারেডে যাচ্ছেন না নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি

আর্সেনালের জার্সির আদলে পাঞ্জাবিতে ঈদের নামাজ, আলোচনায় মেয়র জোহরান মামদানি

মেমোরিয়াল ডের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে দুলছেন ট্রাম্প, স্বাস্থ্য নিয়ে বিতর্ক

সমঝোতার দাবি ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে—উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

কেউ টাকা দেয়নি, পাঁচ মাস পরও তহবিলশূন্য ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে মার্কিন হামলা

ইরান চুক্তি: সৌদি আরব-কাতারকে আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষরের আহ্বান ট্রাম্পের

তাড়া নেই, চুক্তি সই না হলে অবরোধ চলবেই: ট্রাম্প