হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ শেষ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

নিউ মেক্সিকোতে এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: এএফপি

ইরানের সঙ্গে ৫ মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী তাদের বিশ্বব্যাপী মজুত থাকা অত্যন্ত নির্ভুল দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বড় একটি অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। এ বিষয়ে তথ্য জানা তিনজন ব্যক্তি এ কথা জানিয়েছেন। এর ফলে ভবিষ্যতে অন্য কোনো সংঘাত শুরু হলে মার্কিন সামরিক বাহিনী কতটা প্রস্তুত থাকবে, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

মূলত সেনাবাহিনীর স্থল থেকে স্থলে নিক্ষেপযোগ্য দুই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে গেছে। এগুলো হলো আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসম)। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন দুই ব্যক্তি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর ‘প্রায় সবই’ ব্যবহার করে ফেলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এটিএসিএমএস ও পিআরএসম ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কতটা কমে গেছে, তা এর আগে প্রকাশ্যে জানা যায়নি। প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের দাম ১০ লাখ ডলারেরও বেশি। এগুলো মার্কিন সামরিক অস্ত্রভান্ডারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কারণ, এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে নিরাপদ দূরত্বে থেকেই অত্যন্ত নির্ভুলভাবে শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা যায়।

ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা এটিএসিএমএস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার ভেতরের লক্ষ্যবস্তুতেও হামলা চালাতে পেরেছে।

পিআরএসম এটিএসিএমএস-এর তুলনায় নতুন ও আরও উন্নত প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ধীরে ধীরে এটিএসিএমএস-এর জায়গা নেবে। এটিএসিএমএস-এর তুলনায় পিআরএসম-এর পাল্লাও বেশি। দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এত দ্রুত কমে যাওয়ার ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভবিষ্যতে যদি আবার ইরানে বড় ধরনের হামলা চালান, তাহলে তাঁকে তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ পাইলট পরিচালিত যুদ্ধবিমান থেকে বোমা হামলার ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।

তবে সূত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এটিএসিএমএস ও পিআরএসম-এর ঠিক কতটি ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে, তা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ট্রাম্প ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন। তখন তিনি বলেছিলেন, এই সংঘাত খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হবে। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন তিন ব্যক্তি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার কারণে রাশিয়া ও চীনসহ অন্য প্রতিপক্ষকে ঠেকানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা সীমিত হয়ে যেতে পারে।

তবে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরেক ব্যক্তি বলেছেন, এত বিপুল পরিমাণ নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার হলেও যুক্তরাষ্ট্র আবার এসব অস্ত্রের মজুত পূরণ করতে পারবে। মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন বাহিনীর তদারকি করা সেন্ট্রাল কমান্ড বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় থাকা মার্কিন সামরিক মজুত থেকে অস্ত্র এনে নিজেদের মজুত আবার পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে বলে ওই ব্যক্তি জানান।

ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি অস্ত্র আছে

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে তথ্যের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের একটি বিবৃতি দেয়। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে অনেক বেশি গোলাবারুদ রয়েছে’ এবং ‘আমাদের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো এই মুহূর্তে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গোলাবারুদ তৈরি করছে। একই সঙ্গে তারা রেকর্ড মাত্রায় কারখানা ও সরঞ্জামের সক্ষমতাও বাড়াচ্ছে।’

বিশ্লেষকরাও একমত যে—কিছু ধরনের অস্ত্র, বিশেষ করে কামানের গোলা এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র, বর্তমানে রেকর্ড মাত্রায় উৎপাদন করা হচ্ছে। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রয়োজন মেটানোর জন্য এই সরবরাহ যথেষ্ট নাও হতে পারে।

এটিএসিএমএস ও পিআরএসম-এর পাশাপাশি অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবস্থাম থাড–ও (থাড) তৈরি করে লকহিড মার্টিন। ট্রাম্পের বক্তব্য এবং এসব অস্ত্রের মজুতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও কোম্পানিটি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি। অন্যদিকে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রেথিয়নও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। টমাহক ও প্যাট্রিয়ট যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দুটি অস্ত্রব্যবস্থা।

এই বিষয়ে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, ‘আমেরিকার সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রেসিডেন্ট যে সময় ও যে জায়গা নির্ধারণ করবেন, সেখানে অভিযান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই তার হাতে রয়েছে। আমরা বিভিন্ন কমব্যাট্যান্ট কমান্ডজুড়ে একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করেছি এবং একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে আমাদের জনগণ ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ও গভীর অস্ত্রভান্ডার রয়েছে তা নিশ্চিত করেছি।’

গত এক সপ্তাহ ধরে এসব অস্ত্রের মজুতসংক্রান্ত তথ্য মার্কিন সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। একই সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে উত্তেজনাপূর্ণ আলোচনা চলছে, ইরানে আর কতদিন হামলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব, এবং কখন অস্ত্রের মজুত এমন পর্যায়ে নেমে আসতে পারে যাতে বিশ্বের অন্য কোথাও কোনো সংকট দেখা দিলে যুক্তরাষ্ট্র যথাযথভাবে সাড়া দিতে না পারে।

অস্ত্রের মজুত নিয়ে সতর্কতা

এক সূত্র জানিয়েছেন, এটিএসিএমএস ও পিআরএসম-এর মজুত কমে যাওয়ার পেছনে ট্রাম্প প্রশাসনের একটি সিদ্ধান্ত কাজ করেছে। প্রশাসন ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি, যেমন পাইলট পরিচালিত যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বোমা ফেলা, এড়িয়ে চলতে চেয়েছে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করার সুযোগ দেয়। তাই চীনের মতো শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা কোনো দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হলে এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। মার্চে প্রকাশিত সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরানের ভেতরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পিআরএসম-এর মজুত শুরু থেকেই তুলনামূলক কম ছিল। এর একটি কারণ হলো, এটি অপেক্ষাকৃত নতুন অস্ত্র। তবে ২০২৭ সালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিপুলসংখ্যক পিআরএসম-এর অর্ডার দিয়েছে। মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এটিএসিএমএস ধীরে ধীরে ব্যবহার থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং এর উৎপাদন থেকে নতুন পিআরএসম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করে আসছেন যে প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রের মজুতও কমে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর, যা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে কার্যকর। দুই সূত্রের ভাষ্য, গত সপ্তাহে বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, ট্রাম্প ইরানের ভেতরে আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। এর অন্যতম কারণ ছিল সামরিক উপদেষ্টাদের সতর্কবার্তা যে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত কমে যাচ্ছে।

তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা এই খবরের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর দাবি, ট্রাম্প নতুন হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন মূলত উপসাগরীয় দেশগুলোর চাপের কারণে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্পের সাংবিধানিক ক্ষমতা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক চলছে। কারণ কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে পারেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এখন পর্যন্ত যুদ্ধ ঘোষণার জন্য কংগ্রেসে কোনো প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। একইভাবে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়েও কোনো প্রস্তাব কংগ্রেসে জমা দেওয়া হয়নি।

প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রের মজুতও কমেছে

গত সপ্তাহে সিএসআইএস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে অনুমান করা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তার প্রায় ৬৫ শতাংশ প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত থাকা থাড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ইন্টারসেপ্টরের সংখ্যা যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় অন্তত ৩৮ শতাংশ কমে গেছে বলেও প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়েছে।

প্যাট্রিয়ট ও থাড এমন দুটি ব্যবস্থা, যেগুলো শত্রুর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে তা ধ্বংস করে। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম। রয়টার্স এসব সরবরাহ বা মজুতসংক্রান্ত পরিসংখ্যান নিজে যাচাই করতে পারেনি। তবে দুই সূত্র জানিয়েছে, সিএসআইএস-এর প্রকাশিত সংখ্যাগুলো মার্কিন সরকারের অভ্যন্তরীণ তথ্যের সঙ্গেও মিলে যায়।

যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্বব্যাপী মজুত থাকা টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রেরও অর্ধেকের কিছু কম ব্যবহার করেছে বলে এক সূত্র জানিয়েছেন। রয়টার্স এই সংখ্যাটিও স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

টমাহক হলো মার্কিন নৌবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। এটি ডেস্ট্রয়ার, ক্রুজার এবং সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপ করা যায়। দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে টমাহক মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর মাধ্যমে পাইলটদের ঝুঁকিতে না ফেলেই দূর থেকে হামলা চালানো যায়।

টমাহক উৎপাদনকারী রেথিয়ন পেন্টাগনের সঙ্গে একটি বহু বছরের চুক্তির বিষয়ে নীতিগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানো। ওয়াশিংটন একই সঙ্গে অন্যান্য অস্ত্রের উৎপাদনও বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এর উদ্দেশ্য হলো দ্রুত কমে যাওয়া মার্কিন অস্ত্রের মজুত আবার পূরণ করা।

জুলাই পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্কের ১০০ বিলিয়ন ডলার ফেরত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন

ইরান যুদ্ধে ৮০% মিসাইল ইন্টারসেপ্টরের মজুত হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, পূরণে লাগবে কয়েক বছর

উচ্চমূল্যে ভুগছে মানুষ, মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর রেকর্ড মুনাফায় খেপেছেন ট্রাম্প

ইরানকে ফের ‘শেষ সুযোগ’ দিলেন ট্রাম্প, এরপর ‘শিরশ্ছেদ’

ইরানকে ‘শায়েস্তা করার নতুন ও সৃজনশীল’ উপায় খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরায়েলকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রসংকটের তথ্য ফাঁস

যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাজ্যে দৈনিক চুরি হচ্ছে ৩ কোটি টাকার তেল

সোমবার ইরানের সঙ্গে নতুন করে শুরু হবে আলোচনা: ট্রাম্প

বৈশ্বিক কল্যাণের স্বার্থে ইরানে হামলা বন্ধ, চুক্তির খসড়ায় পৌঁছেছি: ট্রাম্প

বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের নাগরিকদের ভিসা বন্ড স্থায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, দিতে হবে ২০ হাজার ডলার