হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

সুপ্রিম কোর্ট বৈশ্বিক শুল্ক বাতিলের রায় দিলেও ট্রাম্পের মাথায় অন্য বুদ্ধি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আদালত যে জরুরি ক্ষমতার আওতায় শুল্ক আরোপের পথ আটকে দিয়েছে, তার পরিবর্তে তিনি অন্য আইনি পন্থা ব্যবহার করবেন, যেগুলো থেকে আরও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হতে পারে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘আদালত ভুলভাবে যে পথটি বাতিল করেছে, তার বদলে এখন অন্য বিকল্প ব্যবহার করা হবে। আমাদের হাতে বিকল্প আছে।’ তিনি দাবি করেন, আদালতের সর্বশেষ রায়ই নতুন এসব পন্থা ব্যবহারের সুযোগকে অনুমোদন দিয়েছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি এখন অন্য একটি পথে এগোব—সম্ভবত যে পথে প্রথমবারই যাওয়া উচিত ছিল। এটি আমাদের আগের সিদ্ধান্তের চেয়েও শক্তিশালী।’

তিনি জানান, নতুন করে শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইন এবং ১৯৬২ সালের বাণিজ্য সম্প্রসারণ আইনের বিভিন্ন ধারা ব্যবহার করা হতে পারে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এসব আইনি পথ অনুসরণ করতে গেলে প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে। কারণ, এসব আইনের আওতায় শুল্ক আরোপের আগে নির্দিষ্ট তদন্ত ও পর্যালোচনা বাধ্যতামূলক।

মার্কিন বাণিজ্য নীতিতে শুল্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। ট্রাম্প এর আগেও বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন, যুক্তি ছিল—এতে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প সুরক্ষিত হবে এবং বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি কমবে। তবে আদালতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে দ্রুত শুল্ক আরোপের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।

এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প বলেন, আদালতের রায় প্রেসিডেন্টের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ ও শুল্ক আরোপের ক্ষমতাকে দুর্বল করেনি; বরং আরও শক্তিশালী ও পরিষ্কার করেছে। তাঁর মতে, এখন বিকল্প আইনি কাঠামো ব্যবহার করে আরও সুসংগঠিত ও টেকসই উপায়ে শুল্ক আরোপ করা সম্ভব হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি প্রশাসন ১৯৭৪ ও ১৯৬২ সালের আইনের ধারা অনুসরণ করে এগোয়, তাহলে বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপে সময় লাগতে পারে। তবে এতে আইনি চ্যালেঞ্জের ঝুঁকি তুলনামূলক কম হতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে এবং কোন দেশ বা খাতকে লক্ষ্য করে নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে—এই বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে প্রেসিডেন্টের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, তিনি শুল্কনীতিকে অর্থনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই দেখতে চান।

‘পারমাণবিক ধুলো’ ফেরত দিতে সম্মত ইরান: ট্রাম্প

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব ডেমোক্র্যাটদের

ট্রাম্পের ডিপফেক মিমগুলো স্রেফ তামাশা নাকি সূক্ষ্ম রাজনৈতিক কৌশল

চুক্তিতে রাজি না হলে আমরা আবার যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত: হেগসেথ

যুক্তরাষ্ট্র ও হামাসের মধ্যে সরাসরি বৈঠক, গাজা যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে আলোচনা

প্রশান্ত মহাসাগরে আবারও নৌযানে মার্কিন হামলা, তিনজনের মৃত্যু

৩৪ বছর পর সরাসরি আলোচনায় বসছেন লেবানন ও ইসরায়েলের নেতারা: ট্রাম্প

ট্রাম্পকে ভোট দিয়ে বিপাকে আরব-আমেরিকানরা

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে: মার্কিন কর্মকর্তা