ঢাকা: পাকিস্তানে লাহোরে পুলিশের অভিযানে সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তানের (টিএলপি) অন্তত তিন সদস্য নিহত হয়েছে। গতকাল রোববার এই অভিযানে আহত হয়েছে কমপক্ষে আরও ২০ জন।
পুলিশের দাবি, লাহোরে সশস্ত্র টিএলপি কর্মীরা একটি থানায় আক্রমণ করে। সেখান থেকে ১১ পুলিশ সদস্যকে অপহরণ করে মারকাজে নিয়ে যায়। তারা পুরো থানা দখল করে নেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালায়। তবে মারকাজে তারা যায়নি, সেখানে গুলিও চালায়নি। তারা শুধু থানা থেকে টিএলপি কর্মীদের সরিয়ে দিয়েছে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ১১ জন পুলিশ অফিসার ও কর্মীকে বিক্ষোভকারীরা অপহরণ করে। পরে অবশ্য তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ।
টিএলপি-কে সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। দলটির দাবি, সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে পাকিস্তান থেকে বের করে দেওয়া হবে। ফ্রান্সে মহানবী (সা.)-এর কার্টুন প্রকাশের দায়ে রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছিল টিএলপি। এখন সরকারের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চায় দলটি। তবে পাকিস্তান সরকার বলছে, তারা বিষয়টি আলোচনা করার কথা বলেছিল মাত্র। এরপরই দেশজুড়ে টিএলপি-র সহিংস আন্দোলনের মুখে দলটির প্রধান নেতা সাদ রিজভিকে গ্রেফতার করা হয়।
এই অবস্থায় সরকারের সঙ্গে টিএলপি নেতাদের আলোচনাও শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ বলেছেন, প্রথম দফার আলোচনা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এবার দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বিরোধ মিটতে পারে বলে আশা করছি।