তোশাখানা মামলায় পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খানের তিন বছরের কারাদণ্ডের রায় স্থগিত করেছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি)। আজ মঙ্গলবার এক শুনানিতে এই আদেশ দেয় আদালত। তবে এর কিছু পরেই সরকারি গোপন নথি আইনের মামলার শুনানি ৩০ আগস্ট নির্ধারণ করে আদালত।
এই মামলা চলাকালে তাঁকে ‘অ্যাটক’ কারাগারেই বন্দি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ তথ্য জানিয়েছে।
অ্যাটক জেল সুপারকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিঠিতে বিশেষ আদালতের বিচারক আবুল হাসনাত মুহম্মদ জুলকারনাইন বলেছেন, ‘অভিযুক্ত ইমরান খান নিয়াজী, ইকরামুল্লাহ খান নিয়াজী, জামান পার্ক, লাহোরকে ওপরে উল্লিখিত এফআইআর মামলায় বিচারিক হেফাজতে রাখার আদেশ দেওয়া হলো। যাঁরা ইতিমধ্যে জেলা কারাগার অ্যাটকে বন্দী আছেন।’
গোপন নথি মামলাটি একটি কূটনৈতিক নথির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ইমরান খান হারিয়ে ফেলেছেন বলে জানা গেছে। পিটিআই অভিযোগ করেছে, ওই নথিতে ইমরানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির বিষয় রয়েছে। একই মামলায় পিটিআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশির বিরুদ্ধেও এ মামলা চলছে।
তোশাখানা মামলায় বহুল প্রত্যাশিত জামিন আদেশটি দেন ইসলামাবাদ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই বেঞ্চে ছিলেন প্রধান বিচারপতি আমির ফারুক এবং বিচারপতি তারিক মেহমুদ জাহাঙ্গিরি। তাঁরাই ইমরান খানের আপিলের রায় ঘোষণা করেন।
বিচারপতি ফারুক বলেন, ‘রায়ের কপি খুব শিগগিরই পাওয়া যাবে। ইমরানের আপিল আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে।’
পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খানের আইনবিষয়ক সহকারী নাঈম হায়দার পাঞ্জোথাও টুইটারে একটি পোস্টে লিখেছেন, প্রধান বিচারপতি আমাদের আপিল আবেদন গ্রহণ করেছেন, সাজা স্থগিত করেছেন এবং বলেছেন পরে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।’