হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

হরমুজ সংকটে বছরের প্রথম প্রান্তিকে সৌদি আরামকোর বাজিমাত

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘সৌদি আরামকো’ ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ২৫ শতাংশ মুনাফা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। রোববার (১০ মে) প্রকাশিত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে আরামকোর নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি।

একই সময়ে কোম্পানিটির মোট রাজস্ব প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ১১৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মূলত অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত জ্বালানি এবং রাসায়নিক পণ্যের উচ্চ মূল্য ও বিক্রি বৃদ্ধির কারণে এই প্রবৃদ্ধি এসেছে।

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল সরবরাহ বাড়াতে আরামকোর ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন পুরো সক্ষমতায় ব্যবহার করছে।

কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের জানান, প্রতিদিন ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনে সক্ষম এই পাইপলাইন বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল পশ্চিমাঞ্চলের সৌদি রিফাইনারিগুলোতে সরবরাহ করা হয় এবং বাকি ৫০ লাখ ব্যারেল রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত হয়।

রোববার নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—সংঘাতের সময় সৌদি আরব প্রতিদিনের তেল উৎপাদন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল কমিয়েছে। কারণ যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে পরিবহন ঝুঁকি বেড়ে গেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

এদিকে আরামকো-এর সমন্বয়কৃত নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, যা কোম্পানিটির নিজস্ব পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি। তবে কোম্পানির ফ্রি ক্যাশ ফ্লো সামান্য কমে ১৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ঋণের অনুপাতও কিছুটা বেড়েছে।

প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির মূলধনী ব্যয় কমে ১২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবুও ২০২৬ সালে মোট ৫০ থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পরিকল্পনা বজায় রেখেছে তারা। আরামকো প্রথম প্রান্তিকের জন্য ২১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ৩ শতাংশ বেশি।

সৌদি সরকারের আয়ের বড় অংশই আসে আরামকোর লভ্যাংশ থেকে। বর্তমানে এই কোম্পানির প্রায় ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ মালিকানা সৌদি সরকারের হাতে রয়েছে, আর ১৬ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে দেশটির পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড।

গাজাকে দুই ভাগ করতে মাটির বাঁধ নির্মাণ করছে ইসরায়েল

ইরানে ফের যুদ্ধ শুরুর দুই সপ্তাহে আহত প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা

ইরান পরমাণু সমৃদ্ধকরণ সেন্ট্রিফিউজ পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে সরিয়েছে: দাবি ইসরায়েলের

মার্কিন স্থল আক্রমণকে ‘স্বাগত’ জানাতে প্রস্তুত তেহরান

সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দিল ট্রাম্প প্রশাসন

সীমার মধ্যে থাকলেও কেন মার্কিন রণতরিতে হামলা করছে না ইরান

সৌদি আরবের বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হুতিদের নৌ অবরোধ

হামাসের নতুন রাজনৈতিক প্রধান কে এই খলিল আল-হাইয়া

তিন মার্কিন সেনার সম্মানে ‘চরম আঘাত’ হানার দাবি ট্রাম্পের, পাল্টা হামলা ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার তেহরানে যাচ্ছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী, সমালোচনায় ইরানপন্থী শিবির