হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

জর্ডানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, সিরিয়ার ঘাঁটিতেও হামলা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

সিরিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল তানফ ঘাঁটি। ছবি: এএফপি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাতভর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বিমান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই দিনে সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলেও হামলা চালিয়েছে ইরান বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এবং সিরিয়ার একটি সামরিক সূত্র। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির পৃথক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তারা জর্ডানে হামলা চালিয়ে ‘বেশ কয়েকটি মার্কিন আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান ও যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে’ এবং ‘আরও অনেক বিমানের গুরুতর ক্ষতি করেছে।’ পাশাপাশি জর্ডানের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, তাঁরা যেন নিজেদের দেশে ‘আগ্রাসী ও ইসলামবিরোধী আমেরিকানদের স্বার্থকে’ লক্ষ্যবস্তু করেন। তবে আইআরজিসির এসব দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জর্ডান বা মার্কিন সামরিক বাহিনীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে, আজ শুক্রবার জর্ডান জানায়, তারা নিজেদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, শুক্রবার পূর্ব সিরিয়ায় হামলা চালিয়েছে ইরান বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এবং সিরিয়ার একটি সামরিক সূত্র। চলতি বছরের শুরুতে আঞ্চলিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সিরিয়ার ভূখণ্ডে এটি তেহরানের প্রথম পরিচিত হামলা। আইআরজিসি জানিয়েছে, ইরান শাহরে ইরানি সেনাদের নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে তারা সিরিয়ার আল-তানফে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযান (স্পেশাল অপারেশনস) কমান্ড সেন্টারে হামলা চালিয়েছে।

তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে এই দাবি যাচাই করতে পারেনি। সিরিয়ার একটি সামরিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরান আল-তানফের কাছে হামলা চালালেও ঘাঁটিটিতে সরাসরি আঘাত হানতে পারেনি। ওই সূত্রের দাবি, এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। মার্কিন সামরিক বাহিনী ফেব্রুয়ারিতে জানিয়েছিল, সিরিয়া, জর্ডান ও ইরাকের ত্রিদেশীয় সীমান্তসংলগ্ন আল-তানফ ঘাঁটি থেকে তারা সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোকে ঘিরে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়া এড়াতে শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সিরিয়া। এই সংঘাতে লেবাননে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ড্রোন ও রকেট হামলা চালিয়ে আসছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মার্চ মাসে লন্ডনে চ্যাথাম হাউস থিংক ট্যাংকের এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘কোনো পক্ষ যদি সিরিয়াকে লক্ষ্যবস্তু না করে, তাহলে সিরিয়া যেকোনো সংঘাতের বাইরে থাকবে।’

এদিকে, রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের হামলা অব্যাহত থাকা পর্যন্ত এই জলপথ দিয়ে কোনো তেল বা গ্যাস রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না।

কী করা উচিত—বুঝতে পারছে না ইরানের সাধারণ মানুষ

পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের বদলে থেমে থেমে সংঘাতের শঙ্কা ইরানের, রাজধানীজুড়ে আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা

টানা ষষ্ঠ রাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের পাল্টা আঘাত, ফের অচল হরমুজ

নতুন প্রতিরক্ষা চ্যাম্পিয়নের উত্থান ঘটছে উপসাগরে

বাব আল-মান্দেবে নাটকীয় অভিযান, হুতিদের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম জব্দ

তেহরানের বিলবোর্ডে ট্রাম্পের কফিন, হত্যার হুমকি

হরমুজে তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন হামলা, প্রথমবার আঘাত তেহরানে

আইএস-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ইরানে দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

মোসাদের সঙ্গে সংযোগ উড়িয়ে দিলেন আহমাদিনেজাদ

ইরানের বাহিনীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সরাসরি হামলা, ৭ সেনা নিহত