হোম > বিশ্ব > ভারত

পঞ্চায়েত নির্বাচন: সহিংসতায় নিহত ৪২, ভোট গণনায় এগিয়ে তৃণমূল

ডয়চে ভেলে

একদিকে পঞ্চায়েতের ফলাফল ঘোষণা হচ্ছে, অন্যদিকে ক্রমশ রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। এখন পর্যন্ত ভোটের বলি ৪২।

ফের উত্তপ্ত হয়েছে ভাঙড়। গতকাল মঙ্গলবার মাঝরাত থেকে সেখানে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। আইএসএফ কর্মীরা পথ অবরোধ করেন বলে জানা গেছে। পুলিশ সেই অবরোধ তুলতে গেলে এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। পুলিশ গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁদের কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আইএসএফ দাবি করেছে, তাদের অন্তত চারজন গুলিতে নিহত হয়েছেন। তবে সরকারিভাবে একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। বেসরকারি সূত্রে আরও একজনের মৃত্যুর খবর জানা গেছে। অর্থাৎ, শুধু ভাঙড়েই দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ভাঙড়েই একটি জেলা পরিষদ দখল করেছে আব্বাস ও নওশাদ সিদ্দিকির আইএসএফ। বাকি ৮৪টি জেলা পরিষদেই তৃণমূল জিতেছে। রাজ্যের অন্যান্য জেলায়ও অধিকাংশ জেলা পরিষদ তৃণমূলের দখলে।

সহিংসতা অব্যাহত

ভাঙড়ে উত্তেজনা সবচেয়ে বেশি। তবে রাজ্যের অন্য জেলা থেকেও সংঘর্ষ ও মৃত্যুর খবর আসছে। রায়দিঘিতে এক তৃণমূল কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। কারা তাঁকে খুন করেছে, তা নিয়ে চাপান-উতোর শুরু হয়েছে। 

পূর্ব মেদিনীপুরের বাকচায় মঙ্গলবার বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। তাতে এক বৃদ্ধ আহত হয়েছেন। পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসায় তৃণমূল এবং সিপিএমের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। দুই পক্ষের একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। মুর্শিদাবাদের একাধিক জায়গা থেকে বোমাবাজির খবর আসছে। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বেসরকারি সূত্রের দাবি, পঞ্চায়েত ভোট ঘিরে এখনো পর্যন্ত মোট ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভোট-পূর্ব পরিস্থিতিতে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৮। ভোটের দিন মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। ভোট-পরবর্তী সময়ে আরও ছয়জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। সংখ্যাটি আরও বাড়বে বলেই বিশেষজ্ঞদের অভিমত। 

দিকে দিকে জয়ী তৃণমূল

সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণার আগেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রামবাংলার মানুষকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ভোটে সহিংসতা নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেছেন, বাংলায় রক্তের হোলিখেলা চলছে। এর আগে তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত এবং হুমায়ুন কবীর সহিংসতার নিন্দা করেছিলেন। 

এদিকে বুধবার সকাল পর্যন্ত যে তথ্য মিলেছে, তাতে তৃণমূল সব মিলিয়ে ২ হাজার ৫৬২টি গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছে। বিজেপি পেয়েছে ২১২টি। বামেরা পেয়েছে ৪২টি। কংগ্রেস ১৭। আইএসএফ আট। নির্দল প্রার্থীরা পেয়েছে ৩৪৬টি। তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতি পেয়েছে ২৪২টি। বিজেপি পেয়েছে আটটি, বামেরা একটি। জেলা পরিষদের লড়াইয়েও এগিয়ে শাসক দল। 

বিরোধীদের অবশ্য বক্তব্য, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। বুথ দখল, রিগিং করে, ভোট লুট করে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। বিরোধীরা যেখানে সামান্য লড়াই করতে পেরেছে, সেখানেই তৃণমূলের হার হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছে বিরোধীরা।

কেকেআর থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হিন্দুদের বিজয়: বিজেপি নেতা

বিজেপিকে উৎখাতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মতো গণ-অভ্যুত্থান দরকার: ভারতীয় রাজনীতিক

মোস্তাফিজকে দলে নেওয়ায় শাহরুখ খানের ক্ষমা চাওয়া উচিত: সর্বভারতীয় ইমাম সংগঠনের সভাপতি

ক্রিকেটে রাজনীতি টানা উচিত নয়—আইপিএলে মোস্তাফিজ প্রসঙ্গে শশী থারুর

বিয়ে করছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ছেলে, কনে কে

ভারতের ইন্দোরে দূষিত পানি পানে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২০০

থার্টি ফার্স্টের রাতে ‘মিষ্টি খাওয়াতে ডেকে’ পরকীয়া প্রেমিকের গোপনাঙ্গ কর্তন

খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে রাজনাথ সিং

জাপানকে টপকে ভারত এখন বিশ্বের চতুর্থ অর্থনীতির দেশ

মোস্তাফিজকে দলে নেওয়ায় শাহরুখকে ‘গাদ্দার’ বললেন বিজেপি নেতা