হোম > বিশ্ব > ভারত

বিহারে ভেজাল মদ পানে মৃত ৯, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন ১৭ জন

ভারতের বিহার রাজ্যে ভেজাল মদ পানে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেবল তাই নয়, ওই মদ পানের পর দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন অন্তত আরও ১৭ জন। ঘটনা বিহারের সরন জেলার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্ক্রলের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। 

ভেজাল মদ পানের পর যারা মারা গেছেন তাঁদের মধ্যে ৭ জনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন—চন্দন কুমার, কমল মাহাতো, ওম নাথ মাহাতো, চন্দেশ্বর মাহাতো, সাকালদ্বীপ মাহাতো, ধানিরাম মাহাতো এবং রাজনাথ মাহাতো। বাকি দুজনের নাম এখনো জানা যায়নি। নিহতরা জেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। নিহতদের মধ্যে অনেকেই জেলার ধানুকাতলি গ্রাম থেকে ওই ভেজাল মদ কিনেছিলেন। 

এদিকে, দৃষ্টিশক্তি হারানোর মধ্যে ১১ জনকে বর্তমানে ছাপড়া শহরের সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকি কয়জনকে বিহারের রাজধানী পাটনার পাটনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

সরন জেলার পুলিশ সুপার সন্তোষ কুমার বলেছেন, কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। মারহাউরা এবং ভেলদি পুলিশ স্টেশন কারা এসব মদ চোরাচালান এবং বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত তার খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে। তিনি বলেছেন, ‘এই অভিযান শেষ করার আগেই আমরা এই কাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে সক্ষম হব।’ 
 
২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে রাজ্যে মদ পান ও বিক্রির বিষয়টি অবৈধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তারপরও রাজ্যটিতে ভেজাল মদ পানে অসুস্থ হয়ে পড়া এবং মৃত্যুর ঘটনা থেমে নেই। কেবল বিহার নয়, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেই এমন মদ পানে মৃত্যুর ঘটনাটি প্রায় নিয়মিত। এর আগে, গত জুলাই মাসেই ভারতের গুজরাটে বুতাদ জেলায় ভেজাল মদপানে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

সত্যিকারের বন্ধুত্বে মতবিরোধ থাকতে পারে, ট্রাম্প-মোদি প্রসঙ্গে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে খুন ১৮ বছরের তরুণের

মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা শনাক্তে এআই টুল আনছে মহারাষ্ট্র সরকার

নিজের চরকায় তেল দাও—মামদানিকে ভারতের তিরস্কার

মহারাষ্ট্রের স্বার্থে ট্রাম্পকে সমর্থন করতেও প্রস্তুত: রাজ ঠাকরে

বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

বঙ্গোপসাগরে চীনের ওপর নজরদারি বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতের নতুন নৌঘাঁটি

যুক্তরাষ্ট্রে সড়কপথে জয়শঙ্করের ৪০০ মাইলের রুদ্ধশ্বাস যাত্রা, নেপথ্য কাহিনি

৫ বছর পর ফের ভারতের সরকারি কাজে চীনা ঠিকাদাররা, বাড়ছে সম্পর্কের উষ্ণতা

‘শিবাজি: হিন্দু কিং ইন ইসলামিক ইন্ডিয়া’ বইয়ের জন্য ক্ষমা চাইল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস