হোম > বিশ্ব > ভারত

শিক্ষামন্ত্রীর মন্ত্রণালয় পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছিল ককরোচরা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মুম্বাইয়ে ছাত্রদের আন্দোলন ঠেকাতে ডিজিটাল নজরদারি শুরু করেছে পুলিশ। এমনকি ছাত্রদের লাইভ লোকেশন পুলিশের সঙ্গে শেয়ার করার নির্দেশও দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান গত শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগপত্র দেওয়ার আগে সরকার সমঝোতার অংশ হিসেবে তাঁর মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছিল। এই প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) রাজি করানোর জন্য। কিন্তু সিজেপি রাজি হয়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, সরকারের আশা ছিল—ধর্মেন্দ্র প্রধানকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে বহাল থাকলে সিজেপি এবং আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতারা সেটি মেনে নেবেন।

সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেওয়া দুই মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং সিজেপির সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তাব দেন যে, নতুন একজন শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি সিজেপির বাকি সব আনুষঙ্গিক দাবিও মেনে নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করতে পারে বলে তারা আশা করেছিলেন। এমনটাই জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে সরকারি শীর্ষ সূত্র।

সরকারের এক সূত্র জানায়, ‘সরকার এই প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু আন্দোলনকারীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের সরাসরি পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিল।’ সিজেপির সূত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তাদের দাবি, সরকারি দুই মন্ত্রী বলেছিলেন, মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনার ক্ষমতা একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর। তাই মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর জায়গায় অন্য কাউকে আনা হতে পারে। তবে সিজেপি এই প্রস্তাব মানতে রাজি হয়নি।

সিজেপির কঠোর অবস্থান

সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, সিজেপির দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি আগেই মেনে নেওয়া হয়েছিল। একটি ছিল ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং অন্যটি ছিল আন্দোলন-সংক্রান্ত এফআইআর প্রত্যাহার করা। সূত্রের ভাষ্য, সাধারণত আন্দোলনের সময় যদি সরকারি সম্পদের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হয়, তাহলে দায়ের করা এফআইআর পরে প্রত্যাহার করা হয়।

এছাড়া, নীট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা বাতিলের ঘটনার পর আত্মহত্যা করা পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়াও সরকার শুরু করেছিল বলে ওই সূত্র জানায়। এসব কারণে সরকারের আশা ছিল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রস্তাবে সিজেপি শেষ পর্যন্ত রাজি হবে।

তবে দীর্ঘ সময় যোগাযোগের কার্যকর পথ তৈরি না হওয়ায় অচলাবস্থা তৈরি হয়। এর ফলে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপি আরও কঠোর অবস্থান নেয়। আন্দোলনকারীরা তাদের অবস্থানে অনড় থাকেন। এদিকে জনমতের চাপ বাড়তে থাকে এবং একাধিক দফা আলোচনা ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত সরকার আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।

শনিবার দুপুরে ধর্মেন্দ্র প্রধান তার পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরপর সিজেপি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় রাজধানীতে চলা তাদের টানা ৩৬ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

ভারতের জেন–জি আন্দোলনে ফেসিয়াল রিকগনিশন: ৩ হাজার অপরাধীকে শনাক্তের দাবি পুলিশের

আন্দোলনকারীদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বললেন কঙ্গনা, ভারতজুড়ে সমালোচনার ঝড়

ভারতের দিকে তাক করা চীনের ১১টি স্টেলথ যুদ্ধবিমান, জবাব দিতে দিল্লির লাগবে এক দশক

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দেওয়া সরকারি চাকরি বাতিল করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট

১৯৪ যাত্রী নিয়ে রাজকোটে ইন্ডিগোর মুম্বাইগামী ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ

তোমরা আমার জন্য সবকিছু উৎসর্গ করেছ, কিন্তু আমি ব্যর্থ—সুইসাইড নোটে নিট পরীক্ষার্থী

‘জানি, পোস্ট সরানোর জন্য মাকে ফোন করবেন’, শিক্ষামন্ত্রীর পিএর উদ্দেশে বিজেপি এমপির মেয়ে

বিহারে একে–৪৭ দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি, পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে মোদি সরকারের উদ্যোগ, টাস্কফোর্সে মহাকাশ বিজ্ঞানীও

এবার পাঞ্জাবের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইল বিজেপি