হোম > বিশ্ব > ভারত

ভারত ও নেপালে দুই দিনে বজ্রপাতে ৬৯ জনের মৃত্যু

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিহার রাজ্য ও প্রতিবেশী দেশ নেপালে বজ্রপাতে গত দুই দিনে অন্তত ৬৯ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া গত বৃহস্পতি ও শুক্রবারের প্রবল বজ্রবৃষ্টিতে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

যদিও প্রতিবছর বন্যা ও বজ্রপাতে হাজার হাজার মানুষ মারা যায়, কিন্তু বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

বিহারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আজ শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতি ও শুক্রবারের শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি ও বজ্রপাতে অন্তত ৬১ জন প্রাণ হারিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ নেপালে বজ্রপাতে আরও আটজন নিহত হয়েছে বলে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজকেও বিহারে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

গত বছর বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভারতে বজ্রপাতের ঘটনা বাড়ছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার জনবহুল এই দেশটিতে প্রতিবছর প্রায় ১ হাজার ৯০০ জন মানুষ বজ্রপাতে মারা যেতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক বজ্রপাতের ঘটনা এবং মৃত্যু এই আশঙ্কার প্রতিফলন।

ভারতের ফকির মোহন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, ১৯৬৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বজ্রপাতে ১ লাখ ১ হাজার ৩০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২০১০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সত্যিকারের বন্ধুত্বে মতবিরোধ থাকতে পারে, ট্রাম্প-মোদি প্রসঙ্গে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে খুন ১৮ বছরের তরুণের

মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা শনাক্তে এআই টুল আনছে মহারাষ্ট্র সরকার

নিজের চরকায় তেল দাও—মামদানিকে ভারতের তিরস্কার

মহারাষ্ট্রের স্বার্থে ট্রাম্পকে সমর্থন করতেও প্রস্তুত: রাজ ঠাকরে

বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

বঙ্গোপসাগরে চীনের ওপর নজরদারি বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতের নতুন নৌঘাঁটি

যুক্তরাষ্ট্রে সড়কপথে জয়শঙ্করের ৪০০ মাইলের রুদ্ধশ্বাস যাত্রা, নেপথ্য কাহিনি

৫ বছর পর ফের ভারতের সরকারি কাজে চীনা ঠিকাদাররা, বাড়ছে সম্পর্কের উষ্ণতা

‘শিবাজি: হিন্দু কিং ইন ইসলামিক ইন্ডিয়া’ বইয়ের জন্য ক্ষমা চাইল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস