হোম > বিশ্ব > ভারত

আস্থা ভোটে অভাবনীয় জয়, নিষ্কণ্টক হলো থালাপতি বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রিত্ব

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

থালাপতি বিজয়। ছবি: সংগৃহীত

থালাপতি বিজয় আপাতত নিরাপদ। তামিলনাড়ু বিধানসভায় আস্থা ভোটে উতরে গেছে তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্ব এবং সরকার। আজ বুধবার বিজয়ের পক্ষে ভোট দেন ১৪৪ আইনপ্রণেতা। যদিও তাঁর দলের বিধায়কের সংখ্যা মাত্র ১০৭ জন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

সুপারস্টার এই অভিনেতা গত মাসের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগামকে (টিভিকে) জয়ের পথে নেতৃত্ব দিয়ে তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক ভূমিকম্প ঘটান। দ্রাবিড়ীয় দুই দল ডিএমকে ও এআইএডিএমকের ৬২ বছরের রাজনৈতিক দখল ভেঙে দেন তিনি। আজ বুধবার নাটকীয় আস্থা ভোটে জয় পাওয়ার পর তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজয়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৪৪ জন আইনপ্রণেতা। বিপক্ষে ছিলেন ২২ জন। আর পাঁচ আইনপ্রণেতা ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। এ সময় দ্রাবিড় মুনেত্রা কাজাগাম বা ডিএমকে এবং তাদের ৫৯ বিধায়ক ওয়াকআউট করেন। অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্রা কাজাগাম বা এআইএডিএমকের ৪৭ বিধায়ককে বিজয়ের বিরুদ্ধে ভোট দিতে বলা হয়েছিল।

ফল ঘোষণার পর বিজয় বলেন, টিভিকের নির্বাচনী প্রতীক ‘হুইসেল’ ইতিহাস বদলে দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু সরকার বলব...তবে এই সরকার এমন এক সরকার, যারা সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করবে।’

৪ মে ফল ঘোষণার পর এই আস্থা ভোট জরুরি হয়ে পড়ে। কারণ, টিভিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ২৩৪ আসনের মধ্যে দলটি ১০৮টি আসনে জয় পায়। তামিলনাড়ুর দীর্ঘদিনের দ্বিমেরু রাজনৈতিক বাস্তবতায় এত নতুন একটি দলের জন্য এটি ছিল অবিশ্বাস্য সাফল্য। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়ে তারা ১০ আসন পিছিয়ে ছিল। দ্রুতই কংগ্রেসের পাঁচ আসনের সমর্থন পায় টিভিকে। চার দিনের দর-কষাকষি, জল্পনা আর রাজনৈতিক অন্ধকার করিডরের বৈঠকের পর বাম জোট, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের কাছ থেকে আরও আটটি আসনের সমর্থন নিশ্চিত হয়।

টিভিকের হাতে কার্যত ১০৫ বিধায়ক ছিলেন। কারণ, স্পিকারের পদে একজনের ভোট হারাতে হয়। দ্বিতীয়ত, বিজয় নিজে জেতা দুটি আসনের একটি ছেড়ে দেন। তৃতীয়ত, তিরুপত্তুর থেকে শ্রীনিবাসা সেতুপতি আর-এর এক ভোটের জয় আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। তবে ১০৫ জনই উপস্থিত থেকে বিজয়ের পক্ষে ভোট দেন।

বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়া মিত্রদের মধ্যে কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, ভিসিকে এবং আইইউএমএল মিলিয়ে ১৩টি আসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। এ ছাড়া টিটিভি দিনাকরণ নেতৃত্বাধীন আম্মা মাক্কাল মুনেত্রা কাজাগামের একমাত্র বিধায়কও বিজয়ের পক্ষে ভোট দেন। সব মিলিয়ে মিত্রদের ভোটে টিভিকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৯। অর্থাৎ অতি সামান্য ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত হয়।

এরপর আসে সবচেয়ে বড় চমক এবং সেটি হয়তো পুরোপুরি অপ্রত্যাশিতও ছিল না। এআইএডিএমকের প্রায় দুই ডজন বিধায়ক বিজয়ের পক্ষে অবস্থান নেন। অন্যদিকে এদাপ্পাদি কে পলানিস্বোয়ামীর শিবিরে থাকা ১৭ এআইএডিএমকে বিধায়ক বিজয়ের বিরুদ্ধে ভোট দেন। পট্টালি মাক্কাল কাচ্চির চার বিধায়ক, যাঁরা বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের অংশ এবং বিজেপির একমাত্র বিধায়ক নিরপেক্ষ অবস্থান নেন।

ব্যক্তিগত জ্যোতিষীকে সহযোগী নিয়োগ, সমালোচনার মুখে বাতিল করলেন বিজয়

পাকিস্তানের সঙ্গে সংলাপ বন্ধ করা যাবে না: আরএসএস

থালাপতি বিজয়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে কাশ্মীরেও মদের দোকান বন্ধের দাবি

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততায় উদ্বিগ্ন ভারত: আনন্দবাজারের প্রতিবেদন

সংখ্যালঘু ‘নিপীড়নের’ অভিযোগ খণ্ডনে বিশ্ব সফরে বের হচ্ছে আরএসএস

পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান, ভাঙচুর

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে গড়ালেও সীমান্ত নিরাপত্তায় অগ্রাধিকার ভারতের

কলকাতায় গ্রেপ্তার ‘বাংলা পক্ষ’র গর্গ চট্টোপাধ্যায়

‘মেয়েদের পড়াশোনা করে কী হবে’—বিহারের নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়

শুভেন্দু অধিকারীর পিএ খুন: অযোধ্যা থেকে গ্রেপ্তার ‘শুটার’ বিজেপি-ঘনিষ্ঠ