হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সহায়তা চালান ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার

ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশগুলোর সরবরাহকৃত অস্ত্রের চালানে হামলার দাবি করেছে রাশিয়া। বলেছে, তাঁরা ইউক্রেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর ওডেসার বিমানবন্দরের রানওয়ে ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারাও ওডেসা বিমানবন্দরে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। 

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর পাঠানো সমরাস্ত্র সহায়তা চালানে আঘাত করেছে এবং ইউক্রেনের ওডেসা শহরের কাছে একটি সামরিক বিমানঘাঁটির একটি রানওয়ে ধ্বংস করেছে। তাঁরা ওই বিমানঘাঁটিতে আঘাত করার জন্য উচ্চ-নির্ভুল অনিক্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে বলেও জানিয়েছে। 

এ ছাড়া, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খারকিভ অঞ্চলে ইউক্রেনের দুটি Su-24m বোমারু বিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। 

ওডেসার আঞ্চলিক গভর্নর ম্যাকসিম মারচেনকো বলেছেন, ‘রাশিয়া ক্রিমিয়া থেকে নিক্ষেপ করা ব্যাসন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।’ অনলাইনে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, শেষ পর্যন্ত কেউ আহত হয়নি। এই অঞ্চলে নাশকতাবিরোধী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছে, ‘ওডেসা বিমানবন্দরের রানওয়ে ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা অবশ্যই এটি পুনর্নির্মাণ করব। ওডেসা কখনোই রাশিয়ার আচরণ ভুলে যাবে না।

প্রেমহীন জীবন ইউক্রেনে, পরিণয় ও সন্তানের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে যুদ্ধ

পুতিনকে রাশিয়া থেকে ধরে নিয়ে যেতে চান ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় চীনের নেতৃত্বে যুদ্ধজাহাজের যৌথ মহড়ায় রাশিয়া ও ইরান

ডেভিড-ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক চরমে, আইনজীবীর মাধ্যমে যোগাযোগ চান ব্রুকলিন বেকহাম

ইউক্রেনে ফের শক্তিশালী ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পশ্চিমাদের কঠোর বার্তা দিল রাশিয়া

শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতির মিসাইল দিয়ে ইউক্রেনে আঘাত রাশিয়ার

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে অস্তিত্ব সংকটে ন্যাটো

মার্কিনরা গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করলে ডেনিশরা ‘আগে গুলি করবে, পরে অন্য আলাপ’

মার্কিন আগ্রাসন থেকে বিশ্ব ব্যবস্থা রক্ষায় ভারত ও ব্রাজিলের ভূমিকা চান জার্মান প্রেসিডেন্ট

বিশ্বব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে যুক্তরাষ্ট্র: জার্মান প্রেসিডেন্ট